০৪:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

নাইজেরিয়ায় সোনার খনি ধসে শতাধিক মৃত্যুর আশঙ্কা

  • আপডেট সময়: ০৩:৪০:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 75

সংগৃহীত ছবি


নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জামফারা রাজ্যের একটি সোনার খনিতে ভয়াবহ ধসের ঘটনায় শতাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার মারুর কাদাউরি এলাকায় গভীর গর্তে খনন চলাকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

খনির ভেতরে কাজ করছিলেন বহু স্থানীয় শ্রমিক। ধসের পর থেকে টানা উদ্ধারকাজ চলছে।

শুক্রবার পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ থেকে ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সানুসি আউয়াল। নিহতদের মধ্যে তার এক ভাইও রয়েছেন।

আউয়াল বলেন, ‘ধসের সময় ভেতরে শতাধিক শ্রমিক ছিলেন। আমরা ভাগ্যবান যে কয়েকজন জীবিত বের হতে পেরেছি।

’ আরেক চিকিৎসাধীন শ্রমিক ইসা সানি বলেন, ‘শতাধিক মানুষের মধ্যে আমরা কেবল ১৫ জন জীবিত বের হতে পেরেছি।’

জামফারা রাজ্যের খনি শ্রমিক সংগঠনের কর্মকর্তা মোহাম্মাদু ইসাও ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ধ্বংসস্তূপ সরানোর সময় অনেক উদ্ধারকারী শ্বাসকষ্টে ভুগছেন।

জামফারা পুলিশের মুখপাত্র ইয়াজিদ আবুবাকারের সঙ্গে রয়টার্স যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

জামফারায় অবৈধ স্বর্ণখনি দীর্ঘদিন ধরেই একটি বড় সমস্যা। এসব খনি সাধারণত সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে থাকে। এ কারণে খনি এলাকায় প্রায়ই সহিংসতা, গোলাগুলি আর প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়।

 

 

 

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist
জনপ্রিয়

নাইজেরিয়ায় সোনার খনি ধসে শতাধিক মৃত্যুর আশঙ্কা

আপডেট সময়: ০৩:৪০:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সংগৃহীত ছবি


নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জামফারা রাজ্যের একটি সোনার খনিতে ভয়াবহ ধসের ঘটনায় শতাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার মারুর কাদাউরি এলাকায় গভীর গর্তে খনন চলাকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

খনির ভেতরে কাজ করছিলেন বহু স্থানীয় শ্রমিক। ধসের পর থেকে টানা উদ্ধারকাজ চলছে।

শুক্রবার পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ থেকে ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সানুসি আউয়াল। নিহতদের মধ্যে তার এক ভাইও রয়েছেন।

আউয়াল বলেন, ‘ধসের সময় ভেতরে শতাধিক শ্রমিক ছিলেন। আমরা ভাগ্যবান যে কয়েকজন জীবিত বের হতে পেরেছি।

’ আরেক চিকিৎসাধীন শ্রমিক ইসা সানি বলেন, ‘শতাধিক মানুষের মধ্যে আমরা কেবল ১৫ জন জীবিত বের হতে পেরেছি।’

জামফারা রাজ্যের খনি শ্রমিক সংগঠনের কর্মকর্তা মোহাম্মাদু ইসাও ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ধ্বংসস্তূপ সরানোর সময় অনেক উদ্ধারকারী শ্বাসকষ্টে ভুগছেন।

জামফারা পুলিশের মুখপাত্র ইয়াজিদ আবুবাকারের সঙ্গে রয়টার্স যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

জামফারায় অবৈধ স্বর্ণখনি দীর্ঘদিন ধরেই একটি বড় সমস্যা। এসব খনি সাধারণত সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে থাকে। এ কারণে খনি এলাকায় প্রায়ই সহিংসতা, গোলাগুলি আর প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়।