০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

সামনে এলো অজানা তথ্য, বাঘ পুষতেন জুবিন 

  • আপডেট সময়: ০২:৫৭:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • 69

মৃত্যুর পর থেকেই ভারতীয় গায়ক জুবিন গার্গককে নিয়ে অজানা যত তথ্য সামএন আসছে। এবার জানা গেল অবাক করে দেওয়া খবর। সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বাঘ পুষতেন এ গায়ক।

জুবিনের বাবার ছিল বদলির চাকরি। তাই তার শৈশব কেটেছে বিভিন্ন জায়গায়। একসময় তারা সপরিবারে বাস করতেন আসামের তামুলপুর নামের অঞ্চলে। সেখানে বড় একটি বাড়ি পেয়েছিলেন। ছিল নানা রকম পশুপাখি। তারমধ্যে একটি বাঘও ছিল।

বাঘ ছাড়াও ছিল দুটি ময়ূর, দুটি হরিণসহ নানা ধরনের পশুপাখি। জুবিন নিজেই তদারকি করতেন সেগুলোর। সকালে খাইয়ে স্কুলে যেতেন। ফিরে ফের খাওয়াতেন তাদের। অনেক সময় পশুপাখি দেখাশুনা করতে গিয়ে স্কুলে যেতে দেরি হতো।


জানা গেল জুবিনের মৃত্যুর আসল কারণ! 


ওই পশুপাখির মধ্যে বাঘের সঙ্গে বেশ বন্ধুত্ব ছিল জুবিনের। তিনি কাঁধে নিয়ে ঘুরতেন। গায়কের বন্ধু–স্বজনদের অনেকেই দেখেছেন সে দৃশ্য। বাঘটা দুই বছর তার কাছে ছিল। বদলির সময় বাঘটি তার পরিবার বন বিভাগের কাছে দিয়ে যায়।

গত পরশু ১৮ নভেম্বভর ছিল জুবিনের জন্মদিন। দিনটি পালন করেছে গোটা আসাম। রাস্তায় রাস্তায় টাঙানো ছিল তার ছবি। পথচারীদের কেউ ফুল দিয়েছেন, কেউ জ্বেলেছেন মোমবাতি।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরের সেন্ট জন আইল্যান্ডে স্কুবা ডাইভিংয়ে যান জুবিন গার্গ। সেখানে তাঁকে পানি থেকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করে তড়িঘড়ি সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে শেষ রক্ষ হয়নি। মৃত্যকালে গায়কের বয়স হয়েছিল ৫২ বছর।

 

 

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist
জনপ্রিয়

সামনে এলো অজানা তথ্য, বাঘ পুষতেন জুবিন 

আপডেট সময়: ০২:৫৭:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

মৃত্যুর পর থেকেই ভারতীয় গায়ক জুবিন গার্গককে নিয়ে অজানা যত তথ্য সামএন আসছে। এবার জানা গেল অবাক করে দেওয়া খবর। সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বাঘ পুষতেন এ গায়ক।

জুবিনের বাবার ছিল বদলির চাকরি। তাই তার শৈশব কেটেছে বিভিন্ন জায়গায়। একসময় তারা সপরিবারে বাস করতেন আসামের তামুলপুর নামের অঞ্চলে। সেখানে বড় একটি বাড়ি পেয়েছিলেন। ছিল নানা রকম পশুপাখি। তারমধ্যে একটি বাঘও ছিল।

বাঘ ছাড়াও ছিল দুটি ময়ূর, দুটি হরিণসহ নানা ধরনের পশুপাখি। জুবিন নিজেই তদারকি করতেন সেগুলোর। সকালে খাইয়ে স্কুলে যেতেন। ফিরে ফের খাওয়াতেন তাদের। অনেক সময় পশুপাখি দেখাশুনা করতে গিয়ে স্কুলে যেতে দেরি হতো।


জানা গেল জুবিনের মৃত্যুর আসল কারণ! 


ওই পশুপাখির মধ্যে বাঘের সঙ্গে বেশ বন্ধুত্ব ছিল জুবিনের। তিনি কাঁধে নিয়ে ঘুরতেন। গায়কের বন্ধু–স্বজনদের অনেকেই দেখেছেন সে দৃশ্য। বাঘটা দুই বছর তার কাছে ছিল। বদলির সময় বাঘটি তার পরিবার বন বিভাগের কাছে দিয়ে যায়।

গত পরশু ১৮ নভেম্বভর ছিল জুবিনের জন্মদিন। দিনটি পালন করেছে গোটা আসাম। রাস্তায় রাস্তায় টাঙানো ছিল তার ছবি। পথচারীদের কেউ ফুল দিয়েছেন, কেউ জ্বেলেছেন মোমবাতি।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরের সেন্ট জন আইল্যান্ডে স্কুবা ডাইভিংয়ে যান জুবিন গার্গ। সেখানে তাঁকে পানি থেকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করে তড়িঘড়ি সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে শেষ রক্ষ হয়নি। মৃত্যকালে গায়কের বয়স হয়েছিল ৫২ বছর।