০৯:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

তুর্কি ড্রোন থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রে ধ্বংস হলো ফাইটার জেট! 

  • আপডেট সময়: ০২:৫৮:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 123

আকাশযুদ্ধকে নতুন মাত্রা দিল তুরস্ক! এই প্রথমবার চালকবিহীন জেট-ইঞ্জিন-চালিত যুদ্ধবিমান (ফাইটার ড্রোন) দিয়ে ‘আকাশ থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র’ (‘এয়ার টু এয়ার মিসাইল) নিক্ষেপ করে উড়ন্ত লক্ষ্যবস্ত ধ্বংসে সক্ষম হল ইউরোপের মুসলিম দেশটি।

ড্রোনযুদ্ধের ইতিহাসে এই প্রথম এমন কৃতিত্ব অর্জনে সক্ষম হল কোনো দেশ। তুরস্ক এক বিবৃতিতে বলেছে, চালকবিহীন যুদ্ধবিমান কিজিলেলমা থেকে ছোড়া ‘আকাশ থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র’ নিখুঁত লক্ষ্যে জেট-ইঞ্জিন-চালিত লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত করতে সক্ষম হয়েছে। খবর সিএনএনের।

পরীক্ষার সময় নজরদারির জন্য ব্যবহার করা হয় এফ-১৫ যুদ্ধবিমান। যুদ্ধ ড্রোন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে উড়ন্ত কোনও জেট ইঞ্জিন বিমানকে নিশানা করে হামলার সফল পরীক্ষার ঘটনা ইতিহাসে এই প্রথম।

যদিও এই পরীক্ষা সম্পর্কে বিশদ তথ্য দেয়নি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এর্দোগানের সরকার।

তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, উপকূলীয় সিনোপ ফায়ারিং রেঞ্জে এই পরীক্ষায় তুরস্কে নির্মিত গোকডোগান ‘এয়ার-টু-এয়ার’ ক্ষেপণাস্ত্র এবং মুরাদ আইসা রাডার ব্যবহার করা হয়েছে। সেগুলো সবই তুরস্কেরই দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি।

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist
জনপ্রিয়

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সফরে আসছে শ্রীলঙ্কা নারী দল

তুর্কি ড্রোন থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রে ধ্বংস হলো ফাইটার জেট! 

আপডেট সময়: ০২:৫৮:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

আকাশযুদ্ধকে নতুন মাত্রা দিল তুরস্ক! এই প্রথমবার চালকবিহীন জেট-ইঞ্জিন-চালিত যুদ্ধবিমান (ফাইটার ড্রোন) দিয়ে ‘আকাশ থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র’ (‘এয়ার টু এয়ার মিসাইল) নিক্ষেপ করে উড়ন্ত লক্ষ্যবস্ত ধ্বংসে সক্ষম হল ইউরোপের মুসলিম দেশটি।

ড্রোনযুদ্ধের ইতিহাসে এই প্রথম এমন কৃতিত্ব অর্জনে সক্ষম হল কোনো দেশ। তুরস্ক এক বিবৃতিতে বলেছে, চালকবিহীন যুদ্ধবিমান কিজিলেলমা থেকে ছোড়া ‘আকাশ থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র’ নিখুঁত লক্ষ্যে জেট-ইঞ্জিন-চালিত লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত করতে সক্ষম হয়েছে। খবর সিএনএনের।

পরীক্ষার সময় নজরদারির জন্য ব্যবহার করা হয় এফ-১৫ যুদ্ধবিমান। যুদ্ধ ড্রোন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে উড়ন্ত কোনও জেট ইঞ্জিন বিমানকে নিশানা করে হামলার সফল পরীক্ষার ঘটনা ইতিহাসে এই প্রথম।

যদিও এই পরীক্ষা সম্পর্কে বিশদ তথ্য দেয়নি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এর্দোগানের সরকার।

তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, উপকূলীয় সিনোপ ফায়ারিং রেঞ্জে এই পরীক্ষায় তুরস্কে নির্মিত গোকডোগান ‘এয়ার-টু-এয়ার’ ক্ষেপণাস্ত্র এবং মুরাদ আইসা রাডার ব্যবহার করা হয়েছে। সেগুলো সবই তুরস্কেরই দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি।