০৪:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতির বৈশ্বিক সমালোচনা উপেক্ষা ইসরায়েলের

  • আপডেট সময়: ০৩:৩৭:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 32

ফাইল ছবি: রয়টার্স


ইসরায়েল মঙ্গলবার সোমালিল্যান্ডকে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে বাড়তে থাকা সমালোচনাকে উপেক্ষা করেছে এবং জোর দিয়ে বলেছে, তাদের পররাষ্ট্রনীতির সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো বহিরাগত শক্তির প্রশ্ন তোলার অধিকার নেই।

ইসরায়েল শুক্রবার ঘোষণা করেছিল, তারা সোমালিল্যান্ডকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিচ্ছে। স্বঘোষিত এই প্রজাতন্ত্র ১৯৯১ সালে একতরফাভাবে সোমালিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। এটি ছিল তাদের জন্য প্রথম আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি।

যুদ্ধবিধ্বস্ত সোমালিয়ার সার্বভৌমত্বে আস্থা জানিয়ে আফ্রিকান ইউনিয়ন, মিসর ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে ইসরায়েলের এই পদক্ষেপের ব্যাপক সমালোচনা এসেছে।

তবে ইসরায়েলের প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সিদ্ধান্তটির কিছু সমর্থনও মিলেছে, যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিরোধিতা করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সা’আর মঙ্গলবার এক্সে বলেন, ‘ইসরায়েল কার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখবে—তা কোনো অন্য দেশ নির্ধারণ করবে না।’

সা’আর সোমালিল্যান্ড বিষয়ে আলোচনায় জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের উপপ্রতিনিধি ট্যামি ব্রুসের করা মন্তব্যের প্রতি সমর্থন জানান।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সোমবার ব্রুস সদস্যদের সমালোচনা করেন। তার ভাষায়, রাষ্ট্র স্বীকৃতি বিষয়ে তাদের অবস্থান ছিল অসংগত।

তিনি বলেন, ‘চলতি বছরের শুরুর দিকে কয়েকটি দেশ—এই পরিষদের কিছু সদস্যসহ—একতরফাভাবে একটি অস্তিত্বহীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, অথচ এই পরিষদের ক্ষোভ প্রকাশে কোনো জরুরি বৈঠক ডাকা হয়নি।’

চলতি বছরের শুরুতে ব্রিটেন ও ফ্রান্সসহ কয়েকটি দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়, যা ইসরায়েলের তীব্র প্রতিক্রিয়া উসকে দেয়।

সোমালিল্যান্ড ১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেয় এবং বৈশ্বিক স্বীকৃতির জন্য ব্যর্থ চেষ্টাই চালিয়ে আসছিল, যতক্ষণ না ইসরায়েল আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির ঘোষণা দেয়।

আফ্রিকার শিং অঞ্চলে অবস্থিত সোমালিল্যান্ডের উত্তরাঞ্চল ইয়েমেনের ওপারে এডেন উপসাগরের ধারে এবং লাল সাগরের নৌপথের কাছে, যা এ অঞ্চলটিকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে।

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা প্রত্যাখ্যান করলো ইরান

সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতির বৈশ্বিক সমালোচনা উপেক্ষা ইসরায়েলের

আপডেট সময়: ০৩:৩৭:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

ফাইল ছবি: রয়টার্স


ইসরায়েল মঙ্গলবার সোমালিল্যান্ডকে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে বাড়তে থাকা সমালোচনাকে উপেক্ষা করেছে এবং জোর দিয়ে বলেছে, তাদের পররাষ্ট্রনীতির সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো বহিরাগত শক্তির প্রশ্ন তোলার অধিকার নেই।

ইসরায়েল শুক্রবার ঘোষণা করেছিল, তারা সোমালিল্যান্ডকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিচ্ছে। স্বঘোষিত এই প্রজাতন্ত্র ১৯৯১ সালে একতরফাভাবে সোমালিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। এটি ছিল তাদের জন্য প্রথম আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি।

যুদ্ধবিধ্বস্ত সোমালিয়ার সার্বভৌমত্বে আস্থা জানিয়ে আফ্রিকান ইউনিয়ন, মিসর ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে ইসরায়েলের এই পদক্ষেপের ব্যাপক সমালোচনা এসেছে।

তবে ইসরায়েলের প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সিদ্ধান্তটির কিছু সমর্থনও মিলেছে, যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিরোধিতা করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সা’আর মঙ্গলবার এক্সে বলেন, ‘ইসরায়েল কার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখবে—তা কোনো অন্য দেশ নির্ধারণ করবে না।’

সা’আর সোমালিল্যান্ড বিষয়ে আলোচনায় জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের উপপ্রতিনিধি ট্যামি ব্রুসের করা মন্তব্যের প্রতি সমর্থন জানান।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সোমবার ব্রুস সদস্যদের সমালোচনা করেন। তার ভাষায়, রাষ্ট্র স্বীকৃতি বিষয়ে তাদের অবস্থান ছিল অসংগত।

তিনি বলেন, ‘চলতি বছরের শুরুর দিকে কয়েকটি দেশ—এই পরিষদের কিছু সদস্যসহ—একতরফাভাবে একটি অস্তিত্বহীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, অথচ এই পরিষদের ক্ষোভ প্রকাশে কোনো জরুরি বৈঠক ডাকা হয়নি।’

চলতি বছরের শুরুতে ব্রিটেন ও ফ্রান্সসহ কয়েকটি দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়, যা ইসরায়েলের তীব্র প্রতিক্রিয়া উসকে দেয়।

সোমালিল্যান্ড ১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেয় এবং বৈশ্বিক স্বীকৃতির জন্য ব্যর্থ চেষ্টাই চালিয়ে আসছিল, যতক্ষণ না ইসরায়েল আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির ঘোষণা দেয়।

আফ্রিকার শিং অঞ্চলে অবস্থিত সোমালিল্যান্ডের উত্তরাঞ্চল ইয়েমেনের ওপারে এডেন উপসাগরের ধারে এবং লাল সাগরের নৌপথের কাছে, যা এ অঞ্চলটিকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে।