০৬:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচারণা চালাতে পারবেন না সরকারি চাকরিজীবীরা

  • আপডেট সময়: ০২:৩৫:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • 36

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় গণভোটকে কেন্দ্র করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’-এর পক্ষে কোনো ধরনের প্রচার-প্রচারণায় অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) এ বিষয়ে একটি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়।

ইসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি গণভোট বিষয়ে জনগণকে কেবল অবহিত বা সচেতন করতে পারবেন। তবে তিনি কোনোভাবেই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’-এর পক্ষে ভোট প্রদানের আহ্বান জানাতে পারবেন না।

নির্বাচন কমিশন জানায়, সরকারি কর্মকর্তাদের এ ধরনের কর্মকাণ্ড গণভোটের ফলাফলকে সরাসরি প্রভাবিত করতে পারে। ফলে এটি গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং আরপিও, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী একটি দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, উল্লিখিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

এই নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি), আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, রিটার্নিং অফিসার ও সংশ্লিষ্ট অন্য কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া বিষয়টি অবহিতকরণ ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে এর অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদসচিব, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, বাংলাদেশ পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আনসার, ভিডিপিসহ সব আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist
জনপ্রিয়

ইরানে হামলা করায় যুক্তরাষ্ট্রের কাউন্টার টেররিজম প্রধানের পদত্যাগ

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচারণা চালাতে পারবেন না সরকারি চাকরিজীবীরা

আপডেট সময়: ০২:৩৫:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় গণভোটকে কেন্দ্র করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’-এর পক্ষে কোনো ধরনের প্রচার-প্রচারণায় অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) এ বিষয়ে একটি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়।

ইসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি গণভোট বিষয়ে জনগণকে কেবল অবহিত বা সচেতন করতে পারবেন। তবে তিনি কোনোভাবেই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’-এর পক্ষে ভোট প্রদানের আহ্বান জানাতে পারবেন না।

নির্বাচন কমিশন জানায়, সরকারি কর্মকর্তাদের এ ধরনের কর্মকাণ্ড গণভোটের ফলাফলকে সরাসরি প্রভাবিত করতে পারে। ফলে এটি গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং আরপিও, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী একটি দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, উল্লিখিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

এই নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি), আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, রিটার্নিং অফিসার ও সংশ্লিষ্ট অন্য কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া বিষয়টি অবহিতকরণ ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে এর অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদসচিব, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, বাংলাদেশ পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আনসার, ভিডিপিসহ সব আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।