০৪:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পাকিস্তানকে রাজি করানোর মিশনে আইসিসি

  • আপডেট সময়: ০৮:১১:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 2

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে বড় ঝামেলা চলছে। পাকিস্তান সরকারের নির্দেশে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ঘোষণা করেছে যে, তারা ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ খেলবে না। এই ম্যাচ বয়কট করলে আইসিসির (ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল) আর্থিক ক্ষতি হবে অনেক। কারণ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এবং এতে বিজ্ঞাপন, সম্প্রচার অধিকার থেকে বিশাল রাজস্ব আসে।

আইসিসি এই পরিস্থিতি সামলাতে তৎপর হয়ে উঠেছে। জয় শাহের নেতৃত্বাধীন আইসিসি ইতিমধ্যে পাকিস্তানকে বিভিন্নভাবে সতর্ক করেছে। তারা জানিয়েছে, এমন বয়কট চুক্তি ভঙ্গের সমান এবং এর ফলে পাকিস্তানের ওপর বড় ধরনের শাস্তি আসতে পারে। যেমন পয়েন্ট হারানো, জরিমানা বা ভবিষ্যতে আরও সমস্যা।

এর পাশাপাশি আইসিসি পাকিস্তানকে ম্যাচ খেলতে রাজি করানোর জন্য পেছনের দরজা দিয়ে (ব্যাক-চ্যানেল) কূটনৈতিক চেষ্টা চালাচ্ছে। এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজাকে। তিনি সিঙ্গাপুর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি এবং আইসিসিতে সবাই তাকে নিরপেক্ষ ও বিশ্বস্ত ব্যক্তি হিসেবে দেখে।

আগেও ২০১৭ সালে তিনি আইসিসির অন্তর্বর্তীকালীন চেয়ারম্যান ছিলেন। তাই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের বোঝানোর কাজ তার ওপর দেওয়া হয়েছে।

পাকিস্তান দল ইতিমধ্যে কলম্বোয় পৌঁছে গেছে এবং টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে, কিন্তু শুধু ভারত ম্যাচটাই এড়িয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা। আইসিসি চাইছে এই ইস্যু শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান হোক, যাতে বিশ্বকাপের মর্যাদা ও আর্থিক স্বার্থ দুটোই রক্ষা পায়।

 

 

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist

চাহিদা থাকায় ভৈরবে বাড়ছে রঙিন ফুলকপি ও ব্রকলি চাষ

পাকিস্তানকে রাজি করানোর মিশনে আইসিসি

আপডেট সময়: ০৮:১১:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে বড় ঝামেলা চলছে। পাকিস্তান সরকারের নির্দেশে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ঘোষণা করেছে যে, তারা ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ খেলবে না। এই ম্যাচ বয়কট করলে আইসিসির (ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল) আর্থিক ক্ষতি হবে অনেক। কারণ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এবং এতে বিজ্ঞাপন, সম্প্রচার অধিকার থেকে বিশাল রাজস্ব আসে।

আইসিসি এই পরিস্থিতি সামলাতে তৎপর হয়ে উঠেছে। জয় শাহের নেতৃত্বাধীন আইসিসি ইতিমধ্যে পাকিস্তানকে বিভিন্নভাবে সতর্ক করেছে। তারা জানিয়েছে, এমন বয়কট চুক্তি ভঙ্গের সমান এবং এর ফলে পাকিস্তানের ওপর বড় ধরনের শাস্তি আসতে পারে। যেমন পয়েন্ট হারানো, জরিমানা বা ভবিষ্যতে আরও সমস্যা।

এর পাশাপাশি আইসিসি পাকিস্তানকে ম্যাচ খেলতে রাজি করানোর জন্য পেছনের দরজা দিয়ে (ব্যাক-চ্যানেল) কূটনৈতিক চেষ্টা চালাচ্ছে। এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজাকে। তিনি সিঙ্গাপুর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি এবং আইসিসিতে সবাই তাকে নিরপেক্ষ ও বিশ্বস্ত ব্যক্তি হিসেবে দেখে।

আগেও ২০১৭ সালে তিনি আইসিসির অন্তর্বর্তীকালীন চেয়ারম্যান ছিলেন। তাই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের বোঝানোর কাজ তার ওপর দেওয়া হয়েছে।

পাকিস্তান দল ইতিমধ্যে কলম্বোয় পৌঁছে গেছে এবং টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে, কিন্তু শুধু ভারত ম্যাচটাই এড়িয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা। আইসিসি চাইছে এই ইস্যু শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান হোক, যাতে বিশ্বকাপের মর্যাদা ও আর্থিক স্বার্থ দুটোই রক্ষা পায়।