০৪:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

৩ জেলার ভোটের ফল সংগ্রহে নিরাপত্তা বাহিনীর নেটওয়ার্কে ভরসা ইসির

  • আপডেট সময়: ০৮:০২:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 1

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে নেটওয়ার্কবিহীন তিন জেলার ১০৮ ভোটকেন্দ্রের ফলাফল সংগ্রহ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আধুনিক নেটওয়ার্ক বা ওয়্যারলেস সিস্টেম ব্যবহার করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসি সূত্র জানিয়েছে, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির যেসব ভোটকেন্দ্রে মোবাইলের নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না সেসব ভোটকেন্দ্রের ফলাফল সংগ্রহ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আধুনিক নেটওয়ার্ক বা ওয়্যারলেস সিস্টেম ব্যবহার করা হবে। এজন্য নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে এ তিন জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিঠিও দিয়েছে। রাঙ্গামাটি জেলার- ২০টি, বান্দরবান জেলার- ৪৬টি এবং খাগড়াছড়ি জেলার- ৪২টিসহ মোট ১০৮টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফল এ পদ্ধতিতে সংগ্রহ করবে ইসি।

ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো.শহীদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি থেকে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফল দ্রুততার সঙ্গে প্রস্তুত ও পরিবেশন/ঘোষণার জন্য পার্বত্য জেলাগুলোয় অবস্থিত মোবাইল নেটওয়ার্কবিহীন দুর্গম কিংবা হেলিসটি ভোটকেন্দ্রের কেন্দ্রভিত্তিক ভোটগণনার বিবরণী বাংলাদেশ সেনাবাহিনী/বিজিবি/পুলিশ এর আধুনিক নেটওয়ার্ক বা ওয়্যারলেস সিস্টেম ব্যবহার করে সংগ্রহের জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত প্রদান করেছে।

এ অবস্থায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বেসরকারি প্রাথমিক ফলাফল প্রস্তুত ও পরিবেশন/ঘোষণায় নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যও রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি এ তিন জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বলা হয়েছে।

ইসির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪২ হাজার ৭৭৯টি। এবার ভোটকক্ষের (বুথ) সংখ্যা ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২টি। গড়ে প্রতি ৩ হাজার ভোটারের জন্য একটি করে ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইসি আরও জানিয়েছে, ওই দিন নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালনায় দায়িত্ব পালন করবেন মোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, একই দিনে দুটি ভোট আয়োজনের কারণে বুথ ও ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এবার ব্যালট গণনায় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে।


আরো পড়ুন

সংশোধিত আচরণ বিধিমালার গেজেট প্রকাশ ইসির


বর্তমানে বাংলাদেশে নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৩৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন, নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন এবং হিজড়া ভোটার ১ হাজার ২৩২ জন।

জানা যায়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রায় ৪৪ হাজারের মতো ভোটকেন্দ্র ছিল। একাদশ সংসদ নির্বাচনে ৪০ হাজারেরও বেশি ভোটকেন্দ্র ছিল, ভোটকক্ষ ছিল ২ লক্ষাধিক। দশম সংসদ নির্বাচনে ৩৭ হাজার ৭০৭টি; ভোটকক্ষ ছিল ১ লাখ ৮৯ হাজার ৭৮টি। নবম সংসদ নির্বাচনে কেন্দ্র ছিল ৩৫ হাজার ২৬৩টি; ভোটকক্ষ ছিল ১ লাখ ৭৭ হাজার ২৭৭টি।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করবে নির্বাচন কমিশন।  -প্রতিবেদক: মো. মেহেদী হাসান হাসিব

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist

চাহিদা থাকায় ভৈরবে বাড়ছে রঙিন ফুলকপি ও ব্রকলি চাষ

৩ জেলার ভোটের ফল সংগ্রহে নিরাপত্তা বাহিনীর নেটওয়ার্কে ভরসা ইসির

আপডেট সময়: ০৮:০২:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে নেটওয়ার্কবিহীন তিন জেলার ১০৮ ভোটকেন্দ্রের ফলাফল সংগ্রহ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আধুনিক নেটওয়ার্ক বা ওয়্যারলেস সিস্টেম ব্যবহার করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসি সূত্র জানিয়েছে, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির যেসব ভোটকেন্দ্রে মোবাইলের নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না সেসব ভোটকেন্দ্রের ফলাফল সংগ্রহ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আধুনিক নেটওয়ার্ক বা ওয়্যারলেস সিস্টেম ব্যবহার করা হবে। এজন্য নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে এ তিন জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিঠিও দিয়েছে। রাঙ্গামাটি জেলার- ২০টি, বান্দরবান জেলার- ৪৬টি এবং খাগড়াছড়ি জেলার- ৪২টিসহ মোট ১০৮টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফল এ পদ্ধতিতে সংগ্রহ করবে ইসি।

ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো.শহীদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি থেকে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফল দ্রুততার সঙ্গে প্রস্তুত ও পরিবেশন/ঘোষণার জন্য পার্বত্য জেলাগুলোয় অবস্থিত মোবাইল নেটওয়ার্কবিহীন দুর্গম কিংবা হেলিসটি ভোটকেন্দ্রের কেন্দ্রভিত্তিক ভোটগণনার বিবরণী বাংলাদেশ সেনাবাহিনী/বিজিবি/পুলিশ এর আধুনিক নেটওয়ার্ক বা ওয়্যারলেস সিস্টেম ব্যবহার করে সংগ্রহের জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত প্রদান করেছে।

এ অবস্থায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বেসরকারি প্রাথমিক ফলাফল প্রস্তুত ও পরিবেশন/ঘোষণায় নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যও রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি এ তিন জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বলা হয়েছে।

ইসির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪২ হাজার ৭৭৯টি। এবার ভোটকক্ষের (বুথ) সংখ্যা ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২টি। গড়ে প্রতি ৩ হাজার ভোটারের জন্য একটি করে ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইসি আরও জানিয়েছে, ওই দিন নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালনায় দায়িত্ব পালন করবেন মোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, একই দিনে দুটি ভোট আয়োজনের কারণে বুথ ও ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এবার ব্যালট গণনায় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে।


আরো পড়ুন

সংশোধিত আচরণ বিধিমালার গেজেট প্রকাশ ইসির


বর্তমানে বাংলাদেশে নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৩৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন, নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন এবং হিজড়া ভোটার ১ হাজার ২৩২ জন।

জানা যায়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রায় ৪৪ হাজারের মতো ভোটকেন্দ্র ছিল। একাদশ সংসদ নির্বাচনে ৪০ হাজারেরও বেশি ভোটকেন্দ্র ছিল, ভোটকক্ষ ছিল ২ লক্ষাধিক। দশম সংসদ নির্বাচনে ৩৭ হাজার ৭০৭টি; ভোটকক্ষ ছিল ১ লাখ ৮৯ হাজার ৭৮টি। নবম সংসদ নির্বাচনে কেন্দ্র ছিল ৩৫ হাজার ২৬৩টি; ভোটকক্ষ ছিল ১ লাখ ৭৭ হাজার ২৭৭টি।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করবে নির্বাচন কমিশন।  -প্রতিবেদক: মো. মেহেদী হাসান হাসিব