
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ শুরু হতে আর মাত্র আট ঘণ্টা বাকি, কিন্তু আবহাওয়ার পূর্বাভাস চিন্তা বাড়াচ্ছে। কলম্বোর খেত্তারামা এলাকায় অবস্থিত প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে এ ম্যাচ শুরুর ঠিক আগে, অর্থাৎ সন্ধ্যা ৭টার আগের ঘণ্টাতেই সবচেয়ে বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখানো হচ্ছে।
শ্রীলঙ্কা আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা ৭০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। একটি পূর্বাভাস মডেল অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে প্রায় ৫.১ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। এরপর রাত ৭টা থেকে ১০টার মধ্যে হালকা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি (প্রায় ৩.৮ মিলিমিটার) হতে পারে। এমনটা হলে ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়া বা ওভার কমিয়ে খেলা আয়োজনের সম্ভাবনাই বেশি।
তবে বৃষ্টি শুরুর আগে থেমে যাওয়ার সম্ভাবনাও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু অধিকাংশ পূর্বাভাসই দুপুর ১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখাচ্ছে। তাই দর্শকদের বিলম্ব বা খেলা বিঘ্নিত হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।
শনিবারও সন্ধ্যা ৬টার দিকে টানা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছিল। ততক্ষণে ভারত তাদের অনুশীলন শেষ করে ফেলেছিল। দুই দলই দুই ম্যাচ থেকে চার পয়েন্ট করে পেয়েছে। যদি ম্যাচটি পরিত্যক্ত হয়, তবে দুই দলই এক পয়েন্ট করে পাবে এবং সুপার এইট পর্বে তাদের জায়গা নিশ্চিত হবে।
যদিও অতিরিক্ত ৬০ মিনিট সময় রাখার বিধান রয়েছে। পাশাপাশি প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও বিশেষ মাঠ ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়া রয়েছে, যা কলম্বোর ভারী বর্ষণ সামাল দিতে সক্ষম। অন্য অনেক আন্তর্জাতিক মাঠে যেখানে শুধু পিচ ঢেকে রাখা হয়, সেখানে এখানে পুরো খেলার মাঠ ঢাকার মতো পর্যাপ্ত কভার রয়েছে। এতে আউটফিল্ডে পানি জমার ঝুঁকি কমে।
মাঠকর্মীরা এক কভার থেকে আরেক কভারে পানি ঠেলে পরিধির নালায় পাঠান, যা অনেক সময় যান্ত্রিক পানি শোষণ যন্ত্রের চেয়েও দ্রুত ও কার্যকর। সাধারণত ভারী বৃষ্টি থামার ৪৫ থেকে ৬০ মিনিটের মধ্যেই মাঠ খেলার উপযোগী করে তোলা সম্ভব হয়।
























