০৪:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিয়ে ইসিকে চিঠি দিলেন তারেক রহমান

  • আপডেট সময়: ০৩:২৫:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 1

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়া সংক্রান্ত একটি চিঠি নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) পাঠিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আসনটি শূন্য ঘোষণা করার কাজ করছে ইসি।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়া সংক্রান্ত চিঠি আমরা পেয়েছি।

তবে এসংক্রান্ত গেজেট এখনো হয়নি।’

আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি দুটি আসনে নির্বাচিত হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একটি আসন রেখে বাকি আসন/আসনগুলো লিখিতভাবে ছেড়ে দিতে হবে।’

আরপিও অনুযায়ী, ধারা ১৯(১)(খ) কোনো ব্যক্তি একই সাধারণ নির্বাচনে একাধিক আসন থেকে প্রার্থী হতে এবং নির্বাচিত হতে পারবেন। ধারা ১৯(২) যদি কোনো ব্যক্তি একাধিক আসন থেকে নির্বাচিত হন, তবে তাকে গেজেট প্রকাশের পর ৩০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে হবে, তিনি কোন একটি আসন রাখতে চান।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত না জানালে নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে এবং অবশিষ্ট আসন/আসনগুলো শূন্য ঘোষণা করা হবে।

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist

বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিয়ে ইসিকে চিঠি দিলেন তারেক রহমান

আপডেট সময়: ০৩:২৫:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়া সংক্রান্ত একটি চিঠি নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) পাঠিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আসনটি শূন্য ঘোষণা করার কাজ করছে ইসি।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়া সংক্রান্ত চিঠি আমরা পেয়েছি।

তবে এসংক্রান্ত গেজেট এখনো হয়নি।’

আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি দুটি আসনে নির্বাচিত হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একটি আসন রেখে বাকি আসন/আসনগুলো লিখিতভাবে ছেড়ে দিতে হবে।’

আরপিও অনুযায়ী, ধারা ১৯(১)(খ) কোনো ব্যক্তি একই সাধারণ নির্বাচনে একাধিক আসন থেকে প্রার্থী হতে এবং নির্বাচিত হতে পারবেন। ধারা ১৯(২) যদি কোনো ব্যক্তি একাধিক আসন থেকে নির্বাচিত হন, তবে তাকে গেজেট প্রকাশের পর ৩০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে হবে, তিনি কোন একটি আসন রাখতে চান।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত না জানালে নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে এবং অবশিষ্ট আসন/আসনগুলো শূন্য ঘোষণা করা হবে।