০৫:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে ‘পিচ টেম্পারিং’-এর অভিযোগ! ভাইরাল বক্তব্যটি নিয়ে যা জানা গেল

  • আপডেট সময়: ০১:২৭:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
  • 4

ফাইল ছবি


আইসিসি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ ফাইনালকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ক্লিপ দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দাবি করা হচ্ছে, ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক নাসের হুসেইন নাকি ভারতের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)–এর বিরুদ্ধে পিচ টেম্পারিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন।

ক্লিপটিতে বলা হয়েছে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ফাইনালের আগে আহমেদাবাদের পিচকে ভারতের জন্য অনুকূল করে তোলার চেষ্টা চলছে। তবে বিষয়টি যাচাই করে দেখা গেছে, এই দাবি বিভ্রান্তিকর এবং ভিত্তিহীন।

এক্স (সাবেক টুইটার)–এ @RayhamUnplugged নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছড়ানো পোস্টে দাবি করা হয়, নাসের হুসেইন নাকি বলেছেন,  ফাইনালের আগে আহমেদাবাদের পিচকে ‘ইন্ডিয়ান–ফ্রেন্ডলি’ বানানোর চেষ্টা চলছে। এমনকি রাত ১–২টার সময়ও স্টেডিয়ামের বাইরে লোকজনকে পিচ নিয়ে কিছু করতে দেখা গেছে বলেও দাবি করা হয়।

ভাইরাল ভিডিওতে আরো বলা হয়, বলের ভেতরে চিপ বসানো বা টসেও প্রভাব খাটানোর মতো অদ্ভুত অভিযোগ করা হয়েছে এবং বিশ্বকাপ ভারতের বদলে শ্রীলঙ্কায় হওয়া উচিত ছিল বলেও মন্তব্য দেখানো হয়েছে।


https://twitter.com/i/status/2030443566959349877


তবে জানা গেছে, এসব বক্তব্যের কোনো প্রমাণ নেই।

নাসের হুনেইন এমন কোনো মন্তব্য করেছেন, তার কোনো নির্ভরযোগ্য রেকর্ড পাওয়া যায়নি।

যে পডকাস্ট বা সম্প্রচারের অংশ থেকে এই বক্তব্য নেওয়ার দাবি করা হচ্ছে, সেখানে পিচ টেম্পারিং, আহমেদাবাদ কিংবা বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে কোনো আলোচনা ছিল না। বরং আলোচনাটি ছিল ক্রিকেটের সামগ্রিক প্রশাসন ও রাজনীতি নিয়ে।

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে।

আইসিসি টুর্নামেন্টে সাধারণত পিচ প্রস্তুতির তত্ত্বাবধান করে আইসিসি–নিযুক্ত কর্মকর্তারা এবং ম্যাচ রেফারি। স্থানীয় গ্রাউন্ড স্টাফ কাজ করলেও পুরো প্রক্রিয়াটি আইসিসির পর্যবেক্ষণে থাকে।

খবরে বলা হচ্ছে, ফাইনালের জন্য লাল ও কালো মাটির মিশ্রণে তৈরি একটি পিচ ব্যবহার করা হতে পারে। এই ধরনের পিচে ম্যাচের শুরুতে ভালো গতি ও বাউন্স থাকে, পরে স্পিনারদের জন্য কিছুটা সহায়তা পাওয়া যায়।

ভারত ফাইনালে ওঠার পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে পিচ, টস কিংবা ম্যাচ প্রস্তুতি নিয়ে নানা গুজব ছড়াতে শুরু করেছে।

বড় টুর্নামেন্টে প্রায়ই সম্পাদিত ভিডিও বা ভুয়া উদ্ধৃতি দ্রুত ভাইরাল হয়ে বিতর্ক তৈরি করে।

সব মিলিয়ে, নাসের হুসেইনের নামে যে মন্তব্য ভাইরাল হয়েছে তা ভুয়া। আহমেদাবাদের পিচ টেম্পারিং নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

 

 

 

 

 

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist
জনপ্রিয়

ভারত ক্রিকেটকে ‘ধ্বংস’ করেছে, বললেন শোয়েব আখতার

ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে ‘পিচ টেম্পারিং’-এর অভিযোগ! ভাইরাল বক্তব্যটি নিয়ে যা জানা গেল

আপডেট সময়: ০১:২৭:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

ফাইল ছবি


আইসিসি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ ফাইনালকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ক্লিপ দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দাবি করা হচ্ছে, ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক নাসের হুসেইন নাকি ভারতের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)–এর বিরুদ্ধে পিচ টেম্পারিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন।

ক্লিপটিতে বলা হয়েছে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ফাইনালের আগে আহমেদাবাদের পিচকে ভারতের জন্য অনুকূল করে তোলার চেষ্টা চলছে। তবে বিষয়টি যাচাই করে দেখা গেছে, এই দাবি বিভ্রান্তিকর এবং ভিত্তিহীন।

এক্স (সাবেক টুইটার)–এ @RayhamUnplugged নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছড়ানো পোস্টে দাবি করা হয়, নাসের হুসেইন নাকি বলেছেন,  ফাইনালের আগে আহমেদাবাদের পিচকে ‘ইন্ডিয়ান–ফ্রেন্ডলি’ বানানোর চেষ্টা চলছে। এমনকি রাত ১–২টার সময়ও স্টেডিয়ামের বাইরে লোকজনকে পিচ নিয়ে কিছু করতে দেখা গেছে বলেও দাবি করা হয়।

ভাইরাল ভিডিওতে আরো বলা হয়, বলের ভেতরে চিপ বসানো বা টসেও প্রভাব খাটানোর মতো অদ্ভুত অভিযোগ করা হয়েছে এবং বিশ্বকাপ ভারতের বদলে শ্রীলঙ্কায় হওয়া উচিত ছিল বলেও মন্তব্য দেখানো হয়েছে।


https://twitter.com/i/status/2030443566959349877


তবে জানা গেছে, এসব বক্তব্যের কোনো প্রমাণ নেই।

নাসের হুনেইন এমন কোনো মন্তব্য করেছেন, তার কোনো নির্ভরযোগ্য রেকর্ড পাওয়া যায়নি।

যে পডকাস্ট বা সম্প্রচারের অংশ থেকে এই বক্তব্য নেওয়ার দাবি করা হচ্ছে, সেখানে পিচ টেম্পারিং, আহমেদাবাদ কিংবা বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে কোনো আলোচনা ছিল না। বরং আলোচনাটি ছিল ক্রিকেটের সামগ্রিক প্রশাসন ও রাজনীতি নিয়ে।

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে।

আইসিসি টুর্নামেন্টে সাধারণত পিচ প্রস্তুতির তত্ত্বাবধান করে আইসিসি–নিযুক্ত কর্মকর্তারা এবং ম্যাচ রেফারি। স্থানীয় গ্রাউন্ড স্টাফ কাজ করলেও পুরো প্রক্রিয়াটি আইসিসির পর্যবেক্ষণে থাকে।

খবরে বলা হচ্ছে, ফাইনালের জন্য লাল ও কালো মাটির মিশ্রণে তৈরি একটি পিচ ব্যবহার করা হতে পারে। এই ধরনের পিচে ম্যাচের শুরুতে ভালো গতি ও বাউন্স থাকে, পরে স্পিনারদের জন্য কিছুটা সহায়তা পাওয়া যায়।

ভারত ফাইনালে ওঠার পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে পিচ, টস কিংবা ম্যাচ প্রস্তুতি নিয়ে নানা গুজব ছড়াতে শুরু করেছে।

বড় টুর্নামেন্টে প্রায়ই সম্পাদিত ভিডিও বা ভুয়া উদ্ধৃতি দ্রুত ভাইরাল হয়ে বিতর্ক তৈরি করে।

সব মিলিয়ে, নাসের হুসেইনের নামে যে মন্তব্য ভাইরাল হয়েছে তা ভুয়া। আহমেদাবাদের পিচ টেম্পারিং নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।