১০:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

ঈদে কারাবন্দিদের জন্য বিশেষ খাবার, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

  • আপডেট সময়: ০৪:২৯:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
  • 1

৭৮ হাজার ৫০০ জন বন্দী আছেন বিভিন্ন কারাগারে। ছবি: সংগৃহীত


প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদুল ফিতরে দেশের প্রতিটি কারাগারে বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হবে। কারাবন্দিদের জন্য এই বিশেষ খাবারের তালিকায় রয়েছে পোলাও, গরু, খাসির মাংস, সাদা ভাতা, সিদ্ধ ডিম, সালাত ও পান সুপারি। তবে কিছু কারাগারে থাকবে কোমল পানীয়র ব্যবস্থা। বিশেষ খাবার ছাড়াও ঈদের দিন বন্দীরা তাদের স্বজনদের সঙ্গে ফোনে কথা বলতে পারবেন। তাদের চিত্র বিনোদনের জন্য থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও। তবে খাবারের আইটেম অর্থ বরাদ্দ অনুযায়ী দুই একটি আইটেম পরিবর্তন হতে পারে বলে কারা অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে।

অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক মো. জাহাঙ্গীর কবির জানান, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বন্দীরা খাবেন বিশেষ খাবার। ঈদের দিন সকালের নাস্তায় থাকবে পায়েস-সেমাই-মুড়ি। দুপুরে থাকবে পোলাও, গরুর রেজালা (যারা গরু খান না এবং হিন্দু বন্দিদের জন্য খাসি), সেদ্ধ ডিম, মুরগির রোস্ট, মিষ্টি, সালাদ, পান-সুপারি। রাতের খাবারে পরিবেশন করা হবে সাদা ভাত, রুই মাছ ও আলুর দম।


মাংসের বাজারে ঈদের ধাক্কা, চাপে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত


জানা গেছে, দেশের ৭৫টি কারাগারে হাজতি ও কয়েদি মিলিয়ে প্রায় ৭৮ হাজার ৫০০ জন বন্দী আছেন। প্রতি বছর কারাগারগুলোতে বন্দীদের জন্য ঈদের দিন বিশেষ খাবার, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও খেলাধুলার আয়োজন রাখা হয়। তারা স্বজনদের সঙ্গে ৫ মিনিট কথা বলারও সুযোগ পান।

প্রতি বছর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলোতে বন্দীদের মধ্য থেকে যারা শিল্পী রয়েছেন তারা গান করে থাকেন। এছাড়াও বাছাইকৃত বন্দীদের নিয়ে টিম করে আয়োজন করা হয় প্রীতি ফুটবল ম্যাচের। বন্দীদের সঙ্গে ঈদের তিন দিন স্বজনরা চাইলে দেখাও করতে পারেন।

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist
জনপ্রিয়

ঈদে কারাবন্দিদের জন্য বিশেষ খাবার, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

আপডেট সময়: ০৪:২৯:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

৭৮ হাজার ৫০০ জন বন্দী আছেন বিভিন্ন কারাগারে। ছবি: সংগৃহীত


প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদুল ফিতরে দেশের প্রতিটি কারাগারে বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হবে। কারাবন্দিদের জন্য এই বিশেষ খাবারের তালিকায় রয়েছে পোলাও, গরু, খাসির মাংস, সাদা ভাতা, সিদ্ধ ডিম, সালাত ও পান সুপারি। তবে কিছু কারাগারে থাকবে কোমল পানীয়র ব্যবস্থা। বিশেষ খাবার ছাড়াও ঈদের দিন বন্দীরা তাদের স্বজনদের সঙ্গে ফোনে কথা বলতে পারবেন। তাদের চিত্র বিনোদনের জন্য থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও। তবে খাবারের আইটেম অর্থ বরাদ্দ অনুযায়ী দুই একটি আইটেম পরিবর্তন হতে পারে বলে কারা অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে।

অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক মো. জাহাঙ্গীর কবির জানান, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বন্দীরা খাবেন বিশেষ খাবার। ঈদের দিন সকালের নাস্তায় থাকবে পায়েস-সেমাই-মুড়ি। দুপুরে থাকবে পোলাও, গরুর রেজালা (যারা গরু খান না এবং হিন্দু বন্দিদের জন্য খাসি), সেদ্ধ ডিম, মুরগির রোস্ট, মিষ্টি, সালাদ, পান-সুপারি। রাতের খাবারে পরিবেশন করা হবে সাদা ভাত, রুই মাছ ও আলুর দম।


মাংসের বাজারে ঈদের ধাক্কা, চাপে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত


জানা গেছে, দেশের ৭৫টি কারাগারে হাজতি ও কয়েদি মিলিয়ে প্রায় ৭৮ হাজার ৫০০ জন বন্দী আছেন। প্রতি বছর কারাগারগুলোতে বন্দীদের জন্য ঈদের দিন বিশেষ খাবার, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও খেলাধুলার আয়োজন রাখা হয়। তারা স্বজনদের সঙ্গে ৫ মিনিট কথা বলারও সুযোগ পান।

প্রতি বছর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলোতে বন্দীদের মধ্য থেকে যারা শিল্পী রয়েছেন তারা গান করে থাকেন। এছাড়াও বাছাইকৃত বন্দীদের নিয়ে টিম করে আয়োজন করা হয় প্রীতি ফুটবল ম্যাচের। বন্দীদের সঙ্গে ঈদের তিন দিন স্বজনরা চাইলে দেখাও করতে পারেন।