০২:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

অবৈধ তেল কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন

  • আপডেট সময়: ০২:১৯:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
  • 2

অবৈধ তেল কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন। ফাইল ছবি


চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকার কমিশনার ঘাটায় অবৈধভাবে মজুদ করা আনুমানিক ছয় হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার করেছে জেলা প্রশাসন।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বেলা পৌনে ১১টার দিকে নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে এ তেল উদ্ধার করা হয়।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত হালদারের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে ৩০টি ড্রামে রাখা ডিজেল জব্দ করা হয়। অভিযানে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) ও বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন। তবে ঘটনাস্থলে কাউকে আটক করা যায়নি।

উদ্ধার করা তেল পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪–এর সংশ্লিষ্ট ধারায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রশাসন জানতে পেরেছে, সমুদ্রগামী জাহাজ ও তেল ডিপো থেকে জ্বালানি পরিবহনের সময় একটি অসাধু চক্র অবৈধভাবে তেল অপসারণ করে তা স্থানীয় বিক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করে থাকে।

জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা এবং অবৈধ মজুদ প্রতিরোধে জেলা প্রশাসন কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে। তেল ডিপো, পেট্রোল পাম্প ও সংশ্লিষ্ট কারবারিদের তৎপরতা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist
জনপ্রিয়

কথা না শুনলে বাংলাদেশে সেনা অভিযান চালাবে ভারত! (ভিডিয়ো)

অবৈধ তেল কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন

আপডেট সময়: ০২:১৯:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

অবৈধ তেল কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন। ফাইল ছবি


চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকার কমিশনার ঘাটায় অবৈধভাবে মজুদ করা আনুমানিক ছয় হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার করেছে জেলা প্রশাসন।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বেলা পৌনে ১১টার দিকে নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে এ তেল উদ্ধার করা হয়।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত হালদারের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে ৩০টি ড্রামে রাখা ডিজেল জব্দ করা হয়। অভিযানে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) ও বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন। তবে ঘটনাস্থলে কাউকে আটক করা যায়নি।

উদ্ধার করা তেল পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪–এর সংশ্লিষ্ট ধারায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রশাসন জানতে পেরেছে, সমুদ্রগামী জাহাজ ও তেল ডিপো থেকে জ্বালানি পরিবহনের সময় একটি অসাধু চক্র অবৈধভাবে তেল অপসারণ করে তা স্থানীয় বিক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করে থাকে।

জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা এবং অবৈধ মজুদ প্রতিরোধে জেলা প্রশাসন কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে। তেল ডিপো, পেট্রোল পাম্প ও সংশ্লিষ্ট কারবারিদের তৎপরতা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।