
ছবি: রয়টার্স
আগামী ২৯ থেকে ৩০ মার্চ ইসলামাবাদে সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠকে অংশ নেবেন। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি এক্সে দেওয়া এক বার্তায় জানান, বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমানোর উপায়সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে।
মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও নিশ্চিত করেছে, তাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই বৈঠকে যোগ দিতে ইসলামাবাদে গেছেন।
পাকিস্তান মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নেওয়ার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে দেশটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা আয়োজনের প্রস্তাবও দিয়েছে। তবে এই আলোচনা শেষ পর্যন্ত হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। এর আগে ইসহাক দার বলেছিলেন, পাকিস্তানের মাধ্যমে দুই পক্ষের মধ্যে পরোক্ষভাবে বার্তা আদান-প্রদান চলছে।
এদিকে এই সপ্তাহের শুরুতে ডোনাল্ড ট্রাম্প পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের একটি এক্স পোস্টের স্ক্রিনশট নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে শেয়ার করেন। ওই পোস্টে শরিফ লিখেছিলেন, ‘পাকিস্তান আলোচনা আয়োজন করতে প্রস্তুত।’
অন্যদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা শুরু করতে পারস্পরিক আস্থা তৈরি করা জরুরি। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টার ফোনালাপে তিনি এ কথা বলেন।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, ইরানের ওপর ইসরায়েলের চলমান হামলার পর শেহবাজ শরিফ যে কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছেন, তার প্রশংসা করেছেন পেজেশকিয়ান। তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তানের ভূমিকার জন্য শেহবাজ শরিফকে ধন্যবাদ জানান। জবাবে শেহবাজ শরিফ বলেন, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পাকিস্তান গঠনমূলক ভূমিকা চালিয়ে যাবে।
এর আগে ফোনালাপে তিনি ইরানের বেসামরিক স্থাপনায় ইসরায়েলের হামলার তীব্র নিন্দা জানান এবং এই হামলায় ১ হাজার ৯০০-এর বেশি মানুষের প্রাণহানিতে গভীর শোক প্রকাশ করেন।
সূত্র: বিবিসি, ডন






















