
সংগৃহীত ছবি
জলবায়ু ট্রাস্টের কার্যক্রম এবং ট্রাস্ট ফান্ড থেকে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি জানান, সরকার পরিবেশ ও জলবায়ু খাতে সুশাসন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সব অভিযোগ কঠোরভাবে বিবেচনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সরকারি দলের সদস্য এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা জানান।
আরো পড়ুন
বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি : বিমানমন্ত্রী
https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/03/31/1665569
তিনি আরো বলেন, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) জলবায়ু পরিবর্তন তহবিলের অর্থায়নে প্রকল্প গ্রহণ বিষয়ে গত ২০২৫ সালের ৪ নভেম্বর ‘বিগত ১৪ বছরে দুই হাজার ১১০ কোটি টাকার দুর্নীতি’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
প্রতিবেদন অনুসারে জলবায়ু তহবিলের প্রকল্প গ্রহণে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, যা দুদক তদন্ত করছে। ট্রাস্ট ফান্ডের ২০০৯-১০ থেকে ২০২৩-২৪ পর্যন্ত প্রকল্পের তথ্যা দুদককে দেওয়া হয়েছে। ট্রাস্টের কার্যক্রমে এবং ট্রাস্ট ফান্ড থেকে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান পরিবেশ মন্ত্রী।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে মূল উদ্যোগগুলো হলো- প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের অনলাইন প্রক্রিয়া, পিপিএস সফটওয়্যারে অন্তর্ভুক্ত করা, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় প্রকল্প বাছাইয়ের জন্য গাইডলাইন প্রণয়ন, ১২ সদস্যবিশিষ্ট কারিগরি সাব-কমিটি গঠন, অনুমোদিত প্রকল্পের ডিজিটাল মনিটরিং ব্যবস্থা চালু, ট্রাস্ট ফান্ডের ব্যবহার নীতিমালা সংশোধন (২০২৫) এবং স্থায়ী তহবিল আমানত ব্যবস্থাপনার গাইডলাইন প্রণয়ন ও সংশোধন।
প্রকল্প বাস্তবায়নকালীন অনিয়ম বা দুর্নীতি হলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা নেবে।
আরো পড়ুন
‘নিজেরাই নিজেদের তেল সংগ্রহ করো’, যুদ্ধে না জড়ানো দেশগুলোকে ট্রাম্প
https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/03/31/1665567
জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী বলেন, পরিবেশ অধিদফতরও স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল কার্যক্রম জোরদার করছে, পরিবেশগত ছাড়পত্র সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক করা হয়েছে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কর্মকর্তাদের নৈতিকতা ও শুদ্ধাচার বিষয়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, সরকার পরিবেশ ও জলবায়ু খাতে সুশাসন নিশ্চিতকরণে বদ্ধপরিকর এবং এসংক্রান্ত সব অভিযোগ কঠোরভাবে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রাখা হয়েছে।


























