০৮:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা গাড়িতে ৩০ শতাংশ জ্বালানি কম নেবেন

  • আপডেট সময়: ১২:৩২:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • 3

বৈশ্বিক জ্বালানিসংকটের মধ্যে সরকারের পরিচালন ব্যয় কমাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা তাদের সরকারি কার্যক্রমে গাড়ির জন্য মাসিক বরাদ্দ করা জ্বালানির ৩০ শতাংশ কম নেবেন।

শুক্রবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার চতুর্থ বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, সরকারি খাতে গাড়ি, জলযান, আকাশযান ও কম্পিউটার ক্রয় শতভাগ কমাতে হবে। সরকারি গাড়িতে মাসিক ভিত্তিতে বরাদ্দ করা জ্বালানির ব্যবহার ৩০ শতাংশ কমাতে হবে।

একই সঙ্গে সরকারি কার্যালয়ে জ্বালানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস ব্যবহার ৩০ শতাংশ কমাতে হবে। আবাসিক ভবন শোভাবর্ধন ব্যয় ২০ শতাংশ এবং অনাবাসিক ভবন শোভাবর্ধন ব্যয় ৫০ শতাংশ কমাতে হবে।

ভূমি অধিগ্রহণ আপাতত সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist

মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে প্রস্তুত ৭০ লাখ বেসামরিক ইরানি!

প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা গাড়িতে ৩০ শতাংশ জ্বালানি কম নেবেন

আপডেট সময়: ১২:৩২:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

বৈশ্বিক জ্বালানিসংকটের মধ্যে সরকারের পরিচালন ব্যয় কমাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা তাদের সরকারি কার্যক্রমে গাড়ির জন্য মাসিক বরাদ্দ করা জ্বালানির ৩০ শতাংশ কম নেবেন।

শুক্রবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার চতুর্থ বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, সরকারি খাতে গাড়ি, জলযান, আকাশযান ও কম্পিউটার ক্রয় শতভাগ কমাতে হবে। সরকারি গাড়িতে মাসিক ভিত্তিতে বরাদ্দ করা জ্বালানির ব্যবহার ৩০ শতাংশ কমাতে হবে।

একই সঙ্গে সরকারি কার্যালয়ে জ্বালানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস ব্যবহার ৩০ শতাংশ কমাতে হবে। আবাসিক ভবন শোভাবর্ধন ব্যয় ২০ শতাংশ এবং অনাবাসিক ভবন শোভাবর্ধন ব্যয় ৫০ শতাংশ কমাতে হবে।

ভূমি অধিগ্রহণ আপাতত সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।