
ফাইল ছবি/কালের কণ্ঠ
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে দোকান, বাণিজ্য বিতান ও শপিং মল সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। তবে বাণিজ্যে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। রাত ৯টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখতে চান তারা।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সরকারপ্রধানের প্রতি এমন অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠনটি।
এর আগে সোমবার (৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির এক জরুরি ভার্চুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানায়, সন্ধ্যা ৭টার পর দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তে ব্যবসায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। খুচরা বেচাকেনার প্রায় ৬০-৭০ শতাংশই হয় সন্ধ্যার পর। এ সময়টাই পিক আওয়ার।
এতে বলা হয়, দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখার স্বার্থে ঢাকাসহ সারা দেশের সব দোকান, বাণিজ্য বিতান ও শপিং মল দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা বা ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।
দেশের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের মাত্র ৩ শতাংশ দোকান ব্যবসায়ীরা ব্যবহার করেন থাকেন। গরম শুরু হলে ও তাপমাত্রা বাড়লে সন্ধ্যার তুলনায় দিনে বিদ্যুতের ব্যবহার বেশি হয় বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।
এর আগে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সন্ধ্যা ৬টা পর শপিং মল, দোকানপাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
তবে রাত ৮টা পর্যন্ত ব্যবসা করার সুযোগ চেয়ে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছিলেন বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতারা। এর পরিপ্রেক্ষিতে শপিং মল ও দোকানপাট খোলা রাখার সময় এক ঘণ্টা বাড়িয়ে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত করা হয়।

























