০৯:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

জুলাই শহীদদের বেওয়ারিশ লাশ চিহ্নিত করতে কাজ করবেন বিদেশি এক্সপার্টরা: প্রেসসচিব

  • আপডেট সময়: ০৪:৪৩:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
  • 38

ফাইল ছবি


রায়েরবাজার কবরস্থানে জুলাই শহীদদের বেওয়ারিশ লাশ চিহ্নিত করতে বিদেশি বিশেষজ্ঞদের দিয়ে ল্যাব করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

শফিকুল আলম বলেছেন, ‘রায়েরবাজার কবরস্থানে বেশ কিছু জুলাই শহীদকে কবর দেওয়া হয়েছে। তাদের ডিএনএ পরীক্ষা নিয়ে অনেক দিন ধরে কাজ হচ্ছিল বেওয়ারিশ লাশ চিহ্নিত করার জন্য।

ওইখানে আমরা বিদেশি এক্সপার্ট দিয়ে ল্যাব করব, এখানে বিদেশি এক্সপার্ট এসে কাজ করবেন।’

তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে সামনে আরো ডেভেলপমেন্ট দেখবেন। রায়েরবাজারে ১০০ জনেরও বেশি মানুষকে কবর দেওয়া হয়েছে। তাদের পরিচয় বের করা একটা বড় ইস্যু।’

প্রেসসচিব জানান, অন্যান্য আলোচনার মধ্যে বননীতি যেটা ১৯৮৪ সালে ছিল, সেটা পরিবর্তন করা হবে। সিদ্ধান্ত হয়েছে যেকোনো বনের ভেতরে বিদেশি প্রজাতির গাছ লাগান যাবে না। এটার সঙ্গে কাঠ আমদানি বাড়ানো হবে যাতে বাংলাদেশের বন বা গাছের ওপরে বেশি ভার না পড়ে।

 

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist

সিএনএনের প্রতিবেদন: সরকার দুর্বল হলেও ইরানে হামলা অত্যন্ত জটিল

জুলাই শহীদদের বেওয়ারিশ লাশ চিহ্নিত করতে কাজ করবেন বিদেশি এক্সপার্টরা: প্রেসসচিব

আপডেট সময়: ০৪:৪৩:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

ফাইল ছবি


রায়েরবাজার কবরস্থানে জুলাই শহীদদের বেওয়ারিশ লাশ চিহ্নিত করতে বিদেশি বিশেষজ্ঞদের দিয়ে ল্যাব করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

শফিকুল আলম বলেছেন, ‘রায়েরবাজার কবরস্থানে বেশ কিছু জুলাই শহীদকে কবর দেওয়া হয়েছে। তাদের ডিএনএ পরীক্ষা নিয়ে অনেক দিন ধরে কাজ হচ্ছিল বেওয়ারিশ লাশ চিহ্নিত করার জন্য।

ওইখানে আমরা বিদেশি এক্সপার্ট দিয়ে ল্যাব করব, এখানে বিদেশি এক্সপার্ট এসে কাজ করবেন।’

তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে সামনে আরো ডেভেলপমেন্ট দেখবেন। রায়েরবাজারে ১০০ জনেরও বেশি মানুষকে কবর দেওয়া হয়েছে। তাদের পরিচয় বের করা একটা বড় ইস্যু।’

প্রেসসচিব জানান, অন্যান্য আলোচনার মধ্যে বননীতি যেটা ১৯৮৪ সালে ছিল, সেটা পরিবর্তন করা হবে। সিদ্ধান্ত হয়েছে যেকোনো বনের ভেতরে বিদেশি প্রজাতির গাছ লাগান যাবে না। এটার সঙ্গে কাঠ আমদানি বাড়ানো হবে যাতে বাংলাদেশের বন বা গাছের ওপরে বেশি ভার না পড়ে।