০৬:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

জনমানবহীন দ্বীপে আটকে গেছে দ. কোরিয়ার ২৬৭ আরোহীবাহী ফেরি

  • আপডেট সময়: ০৩:৪১:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • 54

সংগৃহীত ছবি


দক্ষিণ কোরিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে ২৪৬ জন যাত্রী ও ২১ জন ক্রুসদস্য বহনকারী একটি যাত্রীবাহী ফেরি প্রবালপ্রাচীরে আটকে গেছে।

‘কুইন জেনুভিয়া ২’ একটি প্রবালপ্রাচীরে আটকে নড়াচড়া করতে পারছে না, তবে এটি ডুবে যাওয়ার বা উল্টে যাওয়ার কোনো ঝুঁকি নেই বলে কোস্ট গার্ড জানিয়েছে। যাত্রীদের বর্তমানে টহল নৌকায় সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

দুর্ঘটনাটি স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় সিনান কাউন্টির জাংসান দ্বীপের কাছে ঘটে।

ফেরিটি জনমানবহীন জগদো দ্বীপের কাছে পাথরে উঠে আটকে যায়।

স্থানীয় গণমাধ্যম বলছে, আঘাতের ফলে পাঁচজন সামান্য আহত হয়েছেন, তবে এর বাইরে আর কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিম মিন-সক ফেরি উদ্ধার করতে সব উপলব্ধ নৌযান মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন।

কোস্ট গার্ড কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে চোসুন ইলবো জানিয়েছে, ‘আমরা নিশ্চিত করেছি যে বর্তমানে কোনো পানির প্রবেশ হয়নি।

আমরা যাত্রীদের টহল নৌকায় স্থানান্তর করছি এবং নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাচ্ছি।’

উচ্চ জোয়ারে ফেরিটিকে তীরে নিয়ে আসার পরিকল্পনা করছে কোস্ট গার্ড।

ফেরিটি জেজু রিসোর্ট দ্বীপ থেকে ছেড়ে মকপো বন্দরের দিকে যাচ্ছিল এবং এতে ২৪৬ জন যাত্রী ও ২১ জন ক্রু সদস্য ছিলেন বলে কোস্ট গার্ড জানায়।

ঘটনাস্থলটি ২০১৪ সালের সেই দুর্ঘটনাস্থলের কাছাকাছি, যেখানে সেওয়াল ফেরি ডুবে গিয়ে ৩০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছিল, তাদের বেশির ভাগই ছিল স্কুল ভ্রমণে যাওয়া শিক্ষার্থী।

 

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা প্রত্যাখ্যান করলো ইরান

জনমানবহীন দ্বীপে আটকে গেছে দ. কোরিয়ার ২৬৭ আরোহীবাহী ফেরি

আপডেট সময়: ০৩:৪১:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

সংগৃহীত ছবি


দক্ষিণ কোরিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে ২৪৬ জন যাত্রী ও ২১ জন ক্রুসদস্য বহনকারী একটি যাত্রীবাহী ফেরি প্রবালপ্রাচীরে আটকে গেছে।

‘কুইন জেনুভিয়া ২’ একটি প্রবালপ্রাচীরে আটকে নড়াচড়া করতে পারছে না, তবে এটি ডুবে যাওয়ার বা উল্টে যাওয়ার কোনো ঝুঁকি নেই বলে কোস্ট গার্ড জানিয়েছে। যাত্রীদের বর্তমানে টহল নৌকায় সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

দুর্ঘটনাটি স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় সিনান কাউন্টির জাংসান দ্বীপের কাছে ঘটে।

ফেরিটি জনমানবহীন জগদো দ্বীপের কাছে পাথরে উঠে আটকে যায়।

স্থানীয় গণমাধ্যম বলছে, আঘাতের ফলে পাঁচজন সামান্য আহত হয়েছেন, তবে এর বাইরে আর কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিম মিন-সক ফেরি উদ্ধার করতে সব উপলব্ধ নৌযান মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন।

কোস্ট গার্ড কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে চোসুন ইলবো জানিয়েছে, ‘আমরা নিশ্চিত করেছি যে বর্তমানে কোনো পানির প্রবেশ হয়নি।

আমরা যাত্রীদের টহল নৌকায় স্থানান্তর করছি এবং নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাচ্ছি।’

উচ্চ জোয়ারে ফেরিটিকে তীরে নিয়ে আসার পরিকল্পনা করছে কোস্ট গার্ড।

ফেরিটি জেজু রিসোর্ট দ্বীপ থেকে ছেড়ে মকপো বন্দরের দিকে যাচ্ছিল এবং এতে ২৪৬ জন যাত্রী ও ২১ জন ক্রু সদস্য ছিলেন বলে কোস্ট গার্ড জানায়।

ঘটনাস্থলটি ২০১৪ সালের সেই দুর্ঘটনাস্থলের কাছাকাছি, যেখানে সেওয়াল ফেরি ডুবে গিয়ে ৩০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছিল, তাদের বেশির ভাগই ছিল স্কুল ভ্রমণে যাওয়া শিক্ষার্থী।