১০:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

ওসমান হাদি হত্যা মামলা: আদালতে সাক্ষ্য দিলেন অটোরিকশাচালক

  • আপডেট সময়: ০৮:১৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 54

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেছেন সেদিন হাদিকে বহনকারী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক মো. কামাল উদ্দিন (৪৬)।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আহমেদ।


আরো পড়ুন

কেন্দুয়ায় বেড়েছে শীত, বাড়ছে ফুটপাতের গরম কাপড়ের চাহিদা

https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2025/12/26/1625137


আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার দিন মো. কামাল হোসেনের ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে মতিঝিলের খলিল হোটেল থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন ওসমান হাদি।

কামল সেই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী। সাক্ষী স্বতঃস্ফূর্তভাবে তার বক্তব্য আদালতে প্রদান করতে ইচ্ছুক। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সাক্ষীর জবানবন্দি ১৬৪ ধারামতে লিপিবদ্ধ করা একান্ত প্রয়োজন।

গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরে দুর্বৃত্তের গুলিতে গুরুতর আহত হন ওসমান হাদি।

এরপর তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে তার অস্ত্রোপচার হয়। পরে পরিবারের ইচ্ছায় তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে নেওয়া হয়েছিল সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

হাদিকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গত ১৪ ডিসেম্বর রাতে মামলা দায়ের করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। এজাহারে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা ফয়সালসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়। হত্যাচেষ্টার পরিকল্পনা, অর্থের জোগানদাতা ও পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়েছে। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

ইতিমধ্যে ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় ফয়সালের স্ত্রী, শ্যালক ও বান্ধবীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

তবে ফয়সাল করিমের কোনো খোঁজ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী এখনো পায়নি।

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা প্রত্যাখ্যান করলো ইরান

ওসমান হাদি হত্যা মামলা: আদালতে সাক্ষ্য দিলেন অটোরিকশাচালক

আপডেট সময়: ০৮:১৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেছেন সেদিন হাদিকে বহনকারী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক মো. কামাল উদ্দিন (৪৬)।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আহমেদ।


আরো পড়ুন

কেন্দুয়ায় বেড়েছে শীত, বাড়ছে ফুটপাতের গরম কাপড়ের চাহিদা

https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2025/12/26/1625137


আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার দিন মো. কামাল হোসেনের ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে মতিঝিলের খলিল হোটেল থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন ওসমান হাদি।

কামল সেই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী। সাক্ষী স্বতঃস্ফূর্তভাবে তার বক্তব্য আদালতে প্রদান করতে ইচ্ছুক। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সাক্ষীর জবানবন্দি ১৬৪ ধারামতে লিপিবদ্ধ করা একান্ত প্রয়োজন।

গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরে দুর্বৃত্তের গুলিতে গুরুতর আহত হন ওসমান হাদি।

এরপর তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে তার অস্ত্রোপচার হয়। পরে পরিবারের ইচ্ছায় তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে নেওয়া হয়েছিল সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

হাদিকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গত ১৪ ডিসেম্বর রাতে মামলা দায়ের করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। এজাহারে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা ফয়সালসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়। হত্যাচেষ্টার পরিকল্পনা, অর্থের জোগানদাতা ও পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়েছে। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

ইতিমধ্যে ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় ফয়সালের স্ত্রী, শ্যালক ও বান্ধবীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

তবে ফয়সাল করিমের কোনো খোঁজ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী এখনো পায়নি।