০২:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

ইরানে হামলার হুমকি ট্রাম্পের: সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান রাশিয়ার

  • আপডেট সময়: ০৩:৩৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 60

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ। ফাইল ছবি: রয়টার্স


ক্রেমলিন মঙ্গলবার ইরান ইস্যুতে সব পক্ষকে উত্তেজনা না বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটন ইরানের ওপর আরেকটি বড় হামলাকে সমর্থন করবে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পাশে দাঁড়িয়ে ট্রাম্প সোমবার ইঙ্গিত দেন, জুনে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর তেহরান হয়তো তার অস্ত্র কর্মসূচি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে। তবে পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির ব্যাপারে ইরান বারবার অস্বীকার করে আসছে।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘আমি পড়ছি যে তারা অস্ত্র এবং অন্যান্য জিনিসপত্র তৈরি বাড়াচ্ছে এবং যদি তাই হয়, তারা আমাদের ধ্বংস করা সাইটগুলো ব্যবহার করছে না—সম্ভবত অন্য সাইট ব্যবহার করছে।’

ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তেহরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলা মস্কো উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছে।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, এমন কোনো পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন যা অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়াতে পারে এবং আমরা মনে করি প্রথমত ইরানের সঙ্গে সংলাপই প্রয়োজন।’

তিনি বলেন, রাশিয়া ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখবে।

জুনে ১২ দিনের ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে যোগ দেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি প্রধান পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়। সে সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, ওই হামলায় ইরানের স্থাপনাগুলো ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ হয়ে গেছে; তবে পরবর্তী এক মার্কিন মূল্যায়নে দেখা যায়, হামলাগুলো মূলত কেবল একটি স্থাপনাকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

এই বছর রাশিয়া ও ইরান একটি কৌশলগত অংশীদারি চুক্তি সই করেছে। পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেনে রুশ হামলার জন্য তেহরানকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সরবরাহের অভিযোগ করেছে—যা ইসলামিক রিপাবলিক অস্বীকার করে।

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist
জনপ্রিয়

ইরানে হামলার হুমকি ট্রাম্পের: সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান রাশিয়ার

আপডেট সময়: ০৩:৩৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ। ফাইল ছবি: রয়টার্স


ক্রেমলিন মঙ্গলবার ইরান ইস্যুতে সব পক্ষকে উত্তেজনা না বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটন ইরানের ওপর আরেকটি বড় হামলাকে সমর্থন করবে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পাশে দাঁড়িয়ে ট্রাম্প সোমবার ইঙ্গিত দেন, জুনে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর তেহরান হয়তো তার অস্ত্র কর্মসূচি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে। তবে পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির ব্যাপারে ইরান বারবার অস্বীকার করে আসছে।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘আমি পড়ছি যে তারা অস্ত্র এবং অন্যান্য জিনিসপত্র তৈরি বাড়াচ্ছে এবং যদি তাই হয়, তারা আমাদের ধ্বংস করা সাইটগুলো ব্যবহার করছে না—সম্ভবত অন্য সাইট ব্যবহার করছে।’

ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তেহরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলা মস্কো উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছে।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, এমন কোনো পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন যা অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়াতে পারে এবং আমরা মনে করি প্রথমত ইরানের সঙ্গে সংলাপই প্রয়োজন।’

তিনি বলেন, রাশিয়া ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখবে।

জুনে ১২ দিনের ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে যোগ দেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি প্রধান পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়। সে সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, ওই হামলায় ইরানের স্থাপনাগুলো ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ হয়ে গেছে; তবে পরবর্তী এক মার্কিন মূল্যায়নে দেখা যায়, হামলাগুলো মূলত কেবল একটি স্থাপনাকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

এই বছর রাশিয়া ও ইরান একটি কৌশলগত অংশীদারি চুক্তি সই করেছে। পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেনে রুশ হামলার জন্য তেহরানকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সরবরাহের অভিযোগ করেছে—যা ইসলামিক রিপাবলিক অস্বীকার করে।