১১:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

ইসি সানাউল্লাহ: সারা দেশে শুরু হচ্ছে যৌথ বাহিনীর অভিযান

  • আপডেট সময়: ০২:২৫:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • 67

সংগৃহীত ছবি


আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোর নিয়ন্ত্রণে রাখতে সারা দেশে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে যৌথ বাহিনী। আজকের মধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র জারি হয়ে যাবে বলে জানান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

আজ রবিবার কক্সবাজারে জেলা প্রশাসন আয়োজিত এক সভায় তিনি আগাম এ তথ্য জানান।

তিনি আরো বলেন, ‘এখন থেকে যৌথ বাহিনীর অপারেশন শুরু হবে সারা দেশে।

সব বাহিনী প্রধানদের নিয়ে নির্বাচন কমিশনে এরই মধ্যে মিটিং হয়েছে। এ বিষয়ে সব হেডকোয়ার্টার অবগত।’

যৌথ বাহিনীর অভিযানের তিনটি মূল লক্ষ্য হবে বলে জানান ইসি আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

১. অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার।

নির্বাচন সামনে রেখে যে অবৈধ অস্ত্রের সরবরাহ আছে, সেগুলো উদ্ধার করা। যেগুলোকে উদ্ধার করা সম্ভব না, সেগুলো যেন কোনো অপকর্মে ব্যবহৃত না হয়।

২. চিহ্নিত সন্ত্রাসীদেরকে গ্রেপ্তার এবং আইনের আওতায় নিয়ে আসা।

৩. নির্বাচনকেন্দ্রিক দল এবং প্রার্থীর যে আচরণবিধি আছে, সেই আচরণবিধির বড় কোনো ব্যত্যয় ঘটলে তা যৌথ বাহিনী দেখবে।

রেহিঙ্গাদের বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক করেন ইসি সানাউল্লাহ। বলেন, ক্যাম্পগুলো সিল করে দিতে হবে। স্থল সীমান্ত ও সাগরপথেও নজরদারি বাড়াতে হবে। যাতে কোনোভাবেই দুষ্কৃতকারীরা এগুলো ব্যবহার করে অপরাধ সংঘটিত করতে না পারে।

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist
জনপ্রিয়

ইসি সানাউল্লাহ: সারা দেশে শুরু হচ্ছে যৌথ বাহিনীর অভিযান

আপডেট সময়: ০২:২৫:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

সংগৃহীত ছবি


আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোর নিয়ন্ত্রণে রাখতে সারা দেশে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে যৌথ বাহিনী। আজকের মধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র জারি হয়ে যাবে বলে জানান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

আজ রবিবার কক্সবাজারে জেলা প্রশাসন আয়োজিত এক সভায় তিনি আগাম এ তথ্য জানান।

তিনি আরো বলেন, ‘এখন থেকে যৌথ বাহিনীর অপারেশন শুরু হবে সারা দেশে।

সব বাহিনী প্রধানদের নিয়ে নির্বাচন কমিশনে এরই মধ্যে মিটিং হয়েছে। এ বিষয়ে সব হেডকোয়ার্টার অবগত।’

যৌথ বাহিনীর অভিযানের তিনটি মূল লক্ষ্য হবে বলে জানান ইসি আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

১. অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার।

নির্বাচন সামনে রেখে যে অবৈধ অস্ত্রের সরবরাহ আছে, সেগুলো উদ্ধার করা। যেগুলোকে উদ্ধার করা সম্ভব না, সেগুলো যেন কোনো অপকর্মে ব্যবহৃত না হয়।

২. চিহ্নিত সন্ত্রাসীদেরকে গ্রেপ্তার এবং আইনের আওতায় নিয়ে আসা।

৩. নির্বাচনকেন্দ্রিক দল এবং প্রার্থীর যে আচরণবিধি আছে, সেই আচরণবিধির বড় কোনো ব্যত্যয় ঘটলে তা যৌথ বাহিনী দেখবে।

রেহিঙ্গাদের বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক করেন ইসি সানাউল্লাহ। বলেন, ক্যাম্পগুলো সিল করে দিতে হবে। স্থল সীমান্ত ও সাগরপথেও নজরদারি বাড়াতে হবে। যাতে কোনোভাবেই দুষ্কৃতকারীরা এগুলো ব্যবহার করে অপরাধ সংঘটিত করতে না পারে।