১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

ইসরায়েল ভ্রমণে সতর্কতা জারি করল যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য

  • আপডেট সময়: ০৩:৫০:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • 55

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ভ্রমণ নিয়ে নিজ নিজ দেশের নাগরিকদের ইসরায়েল ভ্রমণে সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) জেরুজালেমে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস এক নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় মার্কিন নাগরিকদের জানায়, চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে নাগরিকদের যেকোনো ভ্রমণ পরিকল্পনা পর্যালোচনা করা এবং সম্ভাব্য বিঘ্নের বিষয়টি মাথায় রেখে নিজেদের ও পরিবারের জন্য পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

 

অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও) বর্তমান পরিস্থিতিতে অপরিহার্য প্রয়োজন ছাড়া ইসরায়েল ভ্রমণ না করার ব্রিটিশ নাগরিকদের পরামর্শ দিয়েছে।

মূলত তীব্র উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার শঙ্কা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সেনা ঘাঁটি ও নৌবহরে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে তেহরান।

এছাড়াও ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে ইরান এই অঞ্চলে আগুন ধরিয়ে দেবে।’

তিনি আরও উল্লেখ্য করেন, ‘যেকোনো হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন জাহাজ এবং সামরিক ঘাঁটি এবং ইসরায়েলি ভূখণ্ড ইরানের বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।’

ইরানি স্পিকারের এমন হুঁশিয়ারির একদিন পরই যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য ইসরায়েলে ভ্রমণে সতর্কতা জারি করল।

অন্যদিকে চলমান উত্তেজনার কারণে এরইমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, ইতালি, স্পেন, পোল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়াসহ একাধিক দেশ তাদের নাগরিকদের ইরান ছেড়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist
জনপ্রিয়

ইসরায়েল ভ্রমণে সতর্কতা জারি করল যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য

আপডেট সময়: ০৩:৫০:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ভ্রমণ নিয়ে নিজ নিজ দেশের নাগরিকদের ইসরায়েল ভ্রমণে সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) জেরুজালেমে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস এক নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় মার্কিন নাগরিকদের জানায়, চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে নাগরিকদের যেকোনো ভ্রমণ পরিকল্পনা পর্যালোচনা করা এবং সম্ভাব্য বিঘ্নের বিষয়টি মাথায় রেখে নিজেদের ও পরিবারের জন্য পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

 

অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও) বর্তমান পরিস্থিতিতে অপরিহার্য প্রয়োজন ছাড়া ইসরায়েল ভ্রমণ না করার ব্রিটিশ নাগরিকদের পরামর্শ দিয়েছে।

মূলত তীব্র উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার শঙ্কা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সেনা ঘাঁটি ও নৌবহরে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে তেহরান।

এছাড়াও ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে ইরান এই অঞ্চলে আগুন ধরিয়ে দেবে।’

তিনি আরও উল্লেখ্য করেন, ‘যেকোনো হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন জাহাজ এবং সামরিক ঘাঁটি এবং ইসরায়েলি ভূখণ্ড ইরানের বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।’

ইরানি স্পিকারের এমন হুঁশিয়ারির একদিন পরই যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য ইসরায়েলে ভ্রমণে সতর্কতা জারি করল।

অন্যদিকে চলমান উত্তেজনার কারণে এরইমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, ইতালি, স্পেন, পোল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়াসহ একাধিক দেশ তাদের নাগরিকদের ইরান ছেড়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।