
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৩০ রানের হারের পর নিজের দলকেই দায় দিলেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। তার মতে, প্রায় ২০০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা ছিলেন “অতিরিক্ত সতর্ক”।
১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে একসময় ইংল্যান্ডের স্কোর ছিল ৭৪/১। কিন্তু মাঝের ওভারগুলোতে স্পিনের বিপক্ষে ছয় উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় তারা। শেষ পর্যন্ত ১৯ ওভারে ১৬৬ রানে অলআউট হয় ইংল্যান্ড।
ব্রুক নিজেও ছিলেন গুদাকেশ মোতির শিকার। ১৭ রান করে আউট হন তিনি। মোতির বলে আউট হন ইংল্যান্ডের আরও দুই ব্যাটার। ম্যাচ শেষে ব্রুক বলেন, “আমি আজ যেভাবে আউট হয়েছি, তার চেয়ে বাউন্ডারিতে ক্যাচ দিয়ে আউট হতে বেশি পছন্দ করতাম। এটাই টি–টোয়েন্টি ক্রিকেটের অংশ।” তিনি যোগ করেন, “ওই সময় মোতিই ছিল প্রধান হুমকি। তাই আমি বলটাকে লেগ সাইডে ঠেলে স্যাম কারানকে স্ট্রাইকে ফেরানোর চেষ্টা করছিলাম।”
ব্রুকের এমন আত্মসমালোচনা নতুন নয়। গত বছর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডেতে ১৩১ রানে অলআউট হওয়ার পরও তিনি বলেছিলেন, আরও আক্রমণাত্মক হওয়া যেত। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হারের পরও প্রশ্ন তুলেছিলেন, “আমরা কি আরও জোরে খেলতে পারি?”
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচেও একই চিত্র দেখা গেছে। টম ব্যান্টন মোতির বলে এক্সট্রা কভারে ক্যাচ দেন। জ্যাকব বেতেল ও উইল জ্যাকসও ক্রিজে দাঁড়িয়ে খেলতে গিয়ে বোল্ড ও এলবিডব্লিউ হন। ব্রুক বলেন, “২০০ রানের কাছাকাছি লক্ষ্য তাড়া করা সবসময়ই কঠিন। আমরা ভেবেছিলাম উইকেট একটু ভালো হবে, বল ব্যাটে আরও ভালো আসবে। কিন্তু তা হয়নি। আমরা হয়তো একটু বেশি সতর্ক ছিলাম, আমিও ছিলাম।”
ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের উইকেটে এদিন টুর্নামেন্টের অন্য যেকোনো ম্যাচের চেয়ে বেশি টার্ন পাওয়া গেছে। শিশির না থাকায় স্পিনারদের জন্য বল গ্রিপ করাও সহজ ছিল।
শ্রীলঙ্কা সফরে স্পিন ভালো খেললেও এদিন পুরোনো দুর্বলতাই সামনে এসেছে ইংল্যান্ডের। “শ্রীলঙ্কায় আমরা স্পিন দারুণ খেলেছিলাম। আজ শুধু আমাদের খারাপ দিন গেছে। আমরা জিততে পারিনি, তারা ভালো বল করেছে,” বলেন ব্রুক। পেসার জোফরা আর্চারের পক্ষেও কথা বলেছেন ব্রুক। নেপালের বিপক্ষে ৪২ রান দেওয়ার পর এদিনও ৪ ওভারে ৪৮ রান দেন আর্চার।
ব্রুকের ভাষায়, “জোফ কত ভালো বোলার, সবাই জানে। সে অবশ্যই ঘুরে দাঁড়াবে। খুব দ্রুতগতিতে বল করছে, সামনের ম্যাচগুলোতে আরও ভালো এক্সিকিউট করবে।” গ্রুপ ‘সি’তে নিজেদের শেষ দুই ম্যাচে শনিবার স্কটল্যান্ড ও সোমবার ইতালির মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড। দুটিই হবে কলকাতায়।

























