
শিশিরের প্রেম
মিথ্যা অহমিকার ধুম্রজালে তুমি আচ্ছন্ন —
আত্ম অহংবোধের দেয়াল ভেদ করে,
ধোঁয়াটে কুয়াশার বুক চিরে, যদি দূর্বাঘাসের
পাঁজরে জমে থাকা বিন্দু বিন্দু শিশিরে মুক্তার
পরিণয়ে দূর্বাঘাসে প্রেম অর্পিত কর,
তব শিশিরের প্রেম পূজারী হব।
♣

স্পর্শ
পৃথিবীর সকল সৌন্দর্য দিয়েই–
সাজিয়েছি পুষ্প কানন,
সর্ব ফুলের সমাহারে গড়েছি তাজমহল।
যেনো এক স্বর্গীয় ঝর্ণাধারা–
অবারিত প্রেম ঝরে, এক বিন্দু
ভালোলাগা ও পাথর হৃদয়ে স্পর্শ করেনি।
♣
পরাজিত
অর্থের মোহে হৃদয়ের বুক পকেট
কানায় কানায় পরিপূর্ণ,
বুকের আদলে টাকার প্রাচুর্যতার বসবাস।
কখনো অকপটে পতিতার দেহ বেচার
টাকারা ও স্থান নেয় কলুষিত হৃদয়ে।
ক্ষমতার দর্পে চাঁদাবাজির টাকায়,
ফানুস উড়ায় মূক,বধিরের মাথায়।
বিবেকের মিছিলে অর্থের মোহ,
আর প্রাচুর্যতা একদিন পরাজিত হয়
সততার ময়দানে।
♣

ঝরা বসন্ত
কোনো এক বসন্তে ভাদ্রের তপ্ত দুপুরে —
রেলের গলিতে দেখা হয়েছিল
সেই প্রথম, সেই শেষ প্রণয়ের আভাস।
ঘর্মাক্ত দেহের ক্লান্ততায়, বিন্দু বিন্দু জল
পুরো শহর জুড়ে জ্বলছে ঝলমল।
এক সাম্রাজ্য জুড়ে স্বপ্ন বুনন
নিপুণ হাতে সৃষ্টি যেনো স্বর্গীয় কানন।
এই বুঝি সারাটি বসন্ত সুবাস ছড়াবে–
ভাবিনি কখনো ভাদ্রের তপ্ত দুপুর
আমায় অতোটা পোড়াবে।
কাটে যখন সুপ্তের ঘোর,
নিঃশেষ হলো বসন্তের জোর।
♣
























