০৪:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শীর্ষ নেতৃত্বের মৃত্যু হলেও যেভাবে সচল থাকবে ইরান

  • আপডেট সময়: ০১:১০:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 3

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি


যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা বেড়েই চলেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানের। যেকোনো মুহূর্তে ইরানে সামরিক হামলা চালাতে পারে মার্কিন বাহিনী। একই সঙ্গে আগ্রাসন চালাতে পারে দখলদার ইসরায়েলও।

এমন পরিস্থিতিতে ইরানের শীর্ষ নেতাদের গুপ্তহত্যার আশঙ্কার মধ্যেই এক ‘মাস্টারপ্ল্যান’ হাতে নিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।

নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, খামেনির অবর্তমানে বা যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দেশের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে এবং প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে জাতীয় নিরাপত্তাপ্রধান আলী লারিজানিকে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, খামেনি দেশের শাসনব্যবস্থা রক্ষার জন্য একাধিক নির্দেশনা জারি করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে সামরিক ও সরকারি পদে চার স্তরের উত্তরাধিকার নিশ্চিত করা এবং সিনিয়র কর্মকর্তাদের চারজন বিকল্প প্রার্থী নির্ধারণের নির্দেশ দেওয়া।

প্রতিবেদনে সিনিয়র কর্মকর্তা, কূটনীতিক ও সামরিক কমান্ডারদের তথ্য উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, যদি তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ হয় বা তিনি নিহত হলে দায়িত্বগুলো নিকটস্থ বিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তিদের হাতে হস্তান্তর করা হবে।

লারিজানি এই দলের অন্যতম, যারা মার্কিন বা ইসরায়েলের হামলা বা তেহরানের শীর্ষ নেতৃত্বের হত্যা হলে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।

লারিজানি আগস্টে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন, যা দেশের নিরাপত্তা ও বিদেশনীতি সংক্রান্ত চূড়ান্ত কর্তৃত্ব রাখে। গত জুন মাসে ইসরায়েলের সঙ্গে চলা ১২ দিনের যুদ্ধের সময় খামেনি তিনজন সম্ভাব্য উত্তরাধিকারীর নাম ঘোষণা করেছিলেন।

তবে লারিজানি সিনিয়র শিয়া আলেম না হওয়ায় সুপ্রিম লিডারের পদ গ্রহণ করতে পারবেন না।

তবে দেশের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃত্ব ধ্বংস হলে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার শীর্ষ প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ-বাগের ঘালিবাফ এবং প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি হাসান রুহানি-ও সম্ভাব্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন।

কে এই আলী লারিজানি

আলী লারিজানি ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান। গত আগস্টে এই নিরাপত্তাপ্রধানকে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি নিয়োগ দেওয়া হয়।

এই কাউন্সিল মূলত দেশটির নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি–সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত ক্ষমতা রাখে।

তেহরানের শীর্ষ নেতৃত্ব গুপ্তহত্যার শিকার হলে ইরানের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে খামেনি যেসব ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক ও সামরিক সহযোগীকে দায়িত্ব দিয়েছেন বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, আলী লারিজানি তাদের মধ্যে অন্যতম।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনার এ প্রেক্ষাপটে খামেনির পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে নানা জল্পনা চলছে। চলতি সপ্তাহে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা চললেও আদতে উত্তেজনা কমেনি। যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ এড়ানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এরই মধ্যে গত মঙ্গলবার খামেনি ট্রাম্পকে সতর্ক করে বলেন, তিনি ইরানকে ‘ধ্বংস’ করতে পারবেন না।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ডিক্রির মাধ্যমে খামেনি বিশ্বকে দুটি বার্তা দিতে চেয়েছেন। যেমন- নেতৃত্বের পরিবর্তন হলেও ইরানের নীতি বা প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হবে না এবং শত্রুপক্ষকে জানানো যে, শীর্ষ নেতাদের হত্যা করলেও ইরানের রাষ্ট্রযন্ত্র অচল করা সম্ভব নয়।

প্রসঙ্গত, গত বছর জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিন ধরে চলা সংঘাতের সময় খামেনি তার সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে তিনজনের নাম ঘোষণা করেছিলেন।

এদিকে নিউ ইয়র্ক টাইমসের এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ওয়াশিংটন এবং তেল আবিব ইরানের এই নতুন সাংগঠনিক বিন্যাসকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ধারণা করা হচ্ছে, যুদ্ধের ময়দানের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাকেই এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন ৮৬ বছর বয়সী সর্বোচ্চ নেতা খামেনি।

অপরদিকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলার হুমকি দিলেও যুক্তরাষ্ট্রের চূড়ান্ত লক্ষ্য ঠিক কী, তা এখনও স্পষ্ট করেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মধ্যপ্রাচ্যে বিপুল সামরিক শক্তি মোতায়েনের পাশাপাশি তিনি কূটনৈতিক সমঝোতার কথাও বলছেন। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ও আঞ্চলিক প্রভাবকে কেন্দ্র করে ক্রমেই উত্তেজনা বাড়লেও সম্ভাব্য সংঘাত শেষ পর্যন্ত কোন পথে নিয়ে যাবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন অনিশ্চয়তা।

বার্তাসংস্থা এএফপি বলছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে হামলার হুমকি দিলেও, দীর্ঘ বা স্বল্পমেয়াদি সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের চূড়ান্ত লক্ষ্য কী, তা স্পষ্ট করেননি। ইতোমধ্যে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজাহাজ ও বহুসংখ্যক যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছেন। ফলে পরিস্থিতি যেকোনও সময় বড় আকার নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্প কি ইরানের ক্ষমতাসীন ধর্মীয় শাসনব্যবস্থার মূল ভিত্তি ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) ওপর সীমিত আঘাত হানতে চান? নাকি ইসরায়েলের প্রত্যাশা অনুযায়ী ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংস করতে চান? এমনকি তেহরানে সরকার পরিবর্তনের চেষ্টাও কি তার পরিকল্পনায় আছে? অবশ্য ইরান আগেই সতর্ক করেছে যে হামলা হলে কঠোর প্রতিশোধ নেওয়া হবে।

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist
জনপ্রিয়

শীর্ষ নেতৃত্বের মৃত্যু হলেও যেভাবে সচল থাকবে ইরান

আপডেট সময়: ০১:১০:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি


যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা বেড়েই চলেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানের। যেকোনো মুহূর্তে ইরানে সামরিক হামলা চালাতে পারে মার্কিন বাহিনী। একই সঙ্গে আগ্রাসন চালাতে পারে দখলদার ইসরায়েলও।

এমন পরিস্থিতিতে ইরানের শীর্ষ নেতাদের গুপ্তহত্যার আশঙ্কার মধ্যেই এক ‘মাস্টারপ্ল্যান’ হাতে নিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।

নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, খামেনির অবর্তমানে বা যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দেশের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে এবং প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে জাতীয় নিরাপত্তাপ্রধান আলী লারিজানিকে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, খামেনি দেশের শাসনব্যবস্থা রক্ষার জন্য একাধিক নির্দেশনা জারি করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে সামরিক ও সরকারি পদে চার স্তরের উত্তরাধিকার নিশ্চিত করা এবং সিনিয়র কর্মকর্তাদের চারজন বিকল্প প্রার্থী নির্ধারণের নির্দেশ দেওয়া।

প্রতিবেদনে সিনিয়র কর্মকর্তা, কূটনীতিক ও সামরিক কমান্ডারদের তথ্য উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, যদি তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ হয় বা তিনি নিহত হলে দায়িত্বগুলো নিকটস্থ বিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তিদের হাতে হস্তান্তর করা হবে।

লারিজানি এই দলের অন্যতম, যারা মার্কিন বা ইসরায়েলের হামলা বা তেহরানের শীর্ষ নেতৃত্বের হত্যা হলে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।

লারিজানি আগস্টে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন, যা দেশের নিরাপত্তা ও বিদেশনীতি সংক্রান্ত চূড়ান্ত কর্তৃত্ব রাখে। গত জুন মাসে ইসরায়েলের সঙ্গে চলা ১২ দিনের যুদ্ধের সময় খামেনি তিনজন সম্ভাব্য উত্তরাধিকারীর নাম ঘোষণা করেছিলেন।

তবে লারিজানি সিনিয়র শিয়া আলেম না হওয়ায় সুপ্রিম লিডারের পদ গ্রহণ করতে পারবেন না।

তবে দেশের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃত্ব ধ্বংস হলে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার শীর্ষ প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ-বাগের ঘালিবাফ এবং প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি হাসান রুহানি-ও সম্ভাব্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন।

কে এই আলী লারিজানি

আলী লারিজানি ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান। গত আগস্টে এই নিরাপত্তাপ্রধানকে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি নিয়োগ দেওয়া হয়।

এই কাউন্সিল মূলত দেশটির নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি–সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত ক্ষমতা রাখে।

তেহরানের শীর্ষ নেতৃত্ব গুপ্তহত্যার শিকার হলে ইরানের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে খামেনি যেসব ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক ও সামরিক সহযোগীকে দায়িত্ব দিয়েছেন বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, আলী লারিজানি তাদের মধ্যে অন্যতম।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনার এ প্রেক্ষাপটে খামেনির পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে নানা জল্পনা চলছে। চলতি সপ্তাহে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা চললেও আদতে উত্তেজনা কমেনি। যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ এড়ানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এরই মধ্যে গত মঙ্গলবার খামেনি ট্রাম্পকে সতর্ক করে বলেন, তিনি ইরানকে ‘ধ্বংস’ করতে পারবেন না।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ডিক্রির মাধ্যমে খামেনি বিশ্বকে দুটি বার্তা দিতে চেয়েছেন। যেমন- নেতৃত্বের পরিবর্তন হলেও ইরানের নীতি বা প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হবে না এবং শত্রুপক্ষকে জানানো যে, শীর্ষ নেতাদের হত্যা করলেও ইরানের রাষ্ট্রযন্ত্র অচল করা সম্ভব নয়।

প্রসঙ্গত, গত বছর জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিন ধরে চলা সংঘাতের সময় খামেনি তার সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে তিনজনের নাম ঘোষণা করেছিলেন।

এদিকে নিউ ইয়র্ক টাইমসের এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ওয়াশিংটন এবং তেল আবিব ইরানের এই নতুন সাংগঠনিক বিন্যাসকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ধারণা করা হচ্ছে, যুদ্ধের ময়দানের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাকেই এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন ৮৬ বছর বয়সী সর্বোচ্চ নেতা খামেনি।

অপরদিকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলার হুমকি দিলেও যুক্তরাষ্ট্রের চূড়ান্ত লক্ষ্য ঠিক কী, তা এখনও স্পষ্ট করেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মধ্যপ্রাচ্যে বিপুল সামরিক শক্তি মোতায়েনের পাশাপাশি তিনি কূটনৈতিক সমঝোতার কথাও বলছেন। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ও আঞ্চলিক প্রভাবকে কেন্দ্র করে ক্রমেই উত্তেজনা বাড়লেও সম্ভাব্য সংঘাত শেষ পর্যন্ত কোন পথে নিয়ে যাবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন অনিশ্চয়তা।

বার্তাসংস্থা এএফপি বলছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে হামলার হুমকি দিলেও, দীর্ঘ বা স্বল্পমেয়াদি সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের চূড়ান্ত লক্ষ্য কী, তা স্পষ্ট করেননি। ইতোমধ্যে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজাহাজ ও বহুসংখ্যক যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছেন। ফলে পরিস্থিতি যেকোনও সময় বড় আকার নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্প কি ইরানের ক্ষমতাসীন ধর্মীয় শাসনব্যবস্থার মূল ভিত্তি ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) ওপর সীমিত আঘাত হানতে চান? নাকি ইসরায়েলের প্রত্যাশা অনুযায়ী ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংস করতে চান? এমনকি তেহরানে সরকার পরিবর্তনের চেষ্টাও কি তার পরিকল্পনায় আছে? অবশ্য ইরান আগেই সতর্ক করেছে যে হামলা হলে কঠোর প্রতিশোধ নেওয়া হবে।