
উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট শব্দের গতির চেয়ে ২৫ গুন বেশি মিসাইল ইরানকে দেয়ার জন্য মুখিয়ে আছেন। ইরান নিচ্ছে না। বলছে, একটি ‘পারমাণবিক যুদ্ধ’ ছড়িয়ে যেতে পারে। এখন উদারতা দেখাবার প্রয়োজন নেই। উদারতা ও ভদ্রতাকে অ্যামেরিকার মতো ‘সভ্য’ দেশও দুর্বলতা মনে করে। দু’শ’র মতো মেয়েশিশু হত্যা। খামেনিসহ ইরানের সর্বোচ্চ নেতাদের হত্যা, ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি বাহিনির ইতিহাসের ভয়াবহতম বর্বর হামলা। কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ট্রাম্পের যুদ্ধ জনমত বিরোধী। ইসরায়েলে বিক্ষোভ হচ্ছে নেতানিয়াহুকে জীবিত বা মৃত দেখার জন্য। ইরান মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোতে হামলা চালিয়েছে তাদেরকে ধ্বংস করার জন্য্ নয়। তারা আরব দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটিতে আক্রমণ করছে। ট্রাম্পের ডাকে কোনো দেশ সাড়া দিচ্ছে না। সুদীর্ঘ নয়মাস বিভিন্ন সাগরে ভাসমান থেকে মার্কিন রণতরীর নাবিক-সার্ভিসম্যান ক্লান্ত, অবসন্ন ও ট্রমার শিকার। তারাই রণতরীতে আগুন দিয়েছে বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এই জেরাল্ড আর ফোর্ড রণতরীই ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে উঠিয়ে নিয়ে গিয়েছিল।
ইরাক মাস ডেস্ট্রাকশন উইপন বানাচ্ছে আজুহাতে, অ্যামেরিকা ও তার মিত্র দেশগুলো ইরাককে ধ্বংস করে দিয়েছিল। সাদ্দাম হোসেনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে। তারপর পৃথিবীর কোনো দেশ, বিশেষজ্ঞ বা সাংবাদিকেরা ইরাক অ্যামেরিকার জন্য হুমকি ছিল, এমন প্রমাণ আজও হাজির করতে পারেনি। ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে, সেটা নাকি অ্যামেরিকার জন্য হুমকি। সেই অজুহাতে ইসরায়েল ও অ্যামেরিকা ইরানে নারকীয় ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে। তারা গাছেরতাটও খেতে আর তলায় পড়ে থাকা আমও খেতে চায়। তাদের তৈলাক্ত শরীরকে আরো তেলময় করতে চাচ্ছে। অ্যামেরিকা কসমেটিক্স উৎপাদন বন্ধ করে শুধু তেল দিয়েই সৌন্দর্য সাধন করছে না কেন।
অ্যামেরিকান কাউন্টারটেরোরিজমের প্রধান জো কেন্ট ইরানের ওপর অযৌক্তিক আকমণের বিরোধিতা করে পদত্যাগ করেছেন। এখন তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। ট্রাম্পকে হরমুজ প্রণালির বদলে তরমুজ খেতে দেয়া উচিত, যাতে তার পক্ক চুলের গরম মাথাটা যদি একটু ঠাণ্ডা হয়।
আন্তর্জাতিক মিডিয়াগুলো দেখাচ্ছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখন ‘প্যানিক মোড’-এ আছেন।


























