০৫:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

ওয়াশিং মেশিনের ঢাকনায় ধর্ষণের দৃশ্য, জেলে যুবক

  • আপডেট সময়: ০১:৩৬:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • 102

প্রতীকী ছবি : এএফপি


দক্ষিণ কোরিয়ার একটি উচ্চ আদালত এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণসহ একাধিক যৌন অপরাধের সাজা বহাল রেখেছেন। একটি ওয়াশিং মেশিনের ঢাকনায় প্রতিফলিত চিত্র থেকে তার অপরাধ ধরা পড়ে এবং নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজে তা দেখা যায় বলে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী নারীর দেওয়া সিসিটিভি ফুটেজে প্রথমে অপরাধের কোনো দৃশ্য ধরা পড়েনি। তবে তদন্তকারীরা ওয়াশিং মেশিনের ঢাকনার প্রতিফলনে হামলার দৃশ্য দেখতে পান।

প্রতিবেদন অনুসারে, ওই ব্যক্তি এর আগেও অন্যান্য অপরাধের জন্য অভিযুক্ত হয়েছিলেন, যার মধ্যে তার সাবেক প্রেমিকাকে ধর্ষণের সন্দেহ ও এক নাবালিকার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের অভিযোগ ছিল।

গত বছরের নভেম্বর মাসে তাকে প্রথমে দোষী সাব্যস্ত করে আট বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন। উচ্চ আদালত এরপর সাজা এক বছর কমিয়ে সাত বছরের কারাদণ্ড দেন।

কারণ তিনি ভুক্তভোগীদের একজনের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছেছিলেন।

এ ছাড়া রায় অনুসারে ওই ব্যক্তিকে মুক্তির পর সাত বছর ইলেকট্রনিক নজরদারির জন্য গোড়ালিতে ট্র্যাকার পরতে হবে এবং একই মেয়াদে শিশু, কিশোর ও প্রতিবন্ধীদের জন্য নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানে কাজ করার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। বিবিসি

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা প্রত্যাখ্যান করলো ইরান

ওয়াশিং মেশিনের ঢাকনায় ধর্ষণের দৃশ্য, জেলে যুবক

আপডেট সময়: ০১:৩৬:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

প্রতীকী ছবি : এএফপি


দক্ষিণ কোরিয়ার একটি উচ্চ আদালত এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণসহ একাধিক যৌন অপরাধের সাজা বহাল রেখেছেন। একটি ওয়াশিং মেশিনের ঢাকনায় প্রতিফলিত চিত্র থেকে তার অপরাধ ধরা পড়ে এবং নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজে তা দেখা যায় বলে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী নারীর দেওয়া সিসিটিভি ফুটেজে প্রথমে অপরাধের কোনো দৃশ্য ধরা পড়েনি। তবে তদন্তকারীরা ওয়াশিং মেশিনের ঢাকনার প্রতিফলনে হামলার দৃশ্য দেখতে পান।

প্রতিবেদন অনুসারে, ওই ব্যক্তি এর আগেও অন্যান্য অপরাধের জন্য অভিযুক্ত হয়েছিলেন, যার মধ্যে তার সাবেক প্রেমিকাকে ধর্ষণের সন্দেহ ও এক নাবালিকার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের অভিযোগ ছিল।

গত বছরের নভেম্বর মাসে তাকে প্রথমে দোষী সাব্যস্ত করে আট বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন। উচ্চ আদালত এরপর সাজা এক বছর কমিয়ে সাত বছরের কারাদণ্ড দেন।

কারণ তিনি ভুক্তভোগীদের একজনের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছেছিলেন।

এ ছাড়া রায় অনুসারে ওই ব্যক্তিকে মুক্তির পর সাত বছর ইলেকট্রনিক নজরদারির জন্য গোড়ালিতে ট্র্যাকার পরতে হবে এবং একই মেয়াদে শিশু, কিশোর ও প্রতিবন্ধীদের জন্য নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানে কাজ করার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। বিবিসি