০৫:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

হারানোর দেড় দশক: ব্যাংকার থেকে নায়ক হয়েছিলেন বুলবুল আহমেদ

  • আপডেট সময়: ১১:১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
  • 113

সংগৃহীত ছবি


সত্তর-আশির দশকে ঢাকাই সিনেমার অন্যতম সুদর্শন নায়ক হিসেবে দর্শকের মন জয় করে নিয়েছিলেন বুলবুল আহমেদ। অভিনয়ে আসেন শখে কিন্তু সেই শখ পরিণত হয় পেশায়। নাটক, থেকে সিনেমা সব মাধ্যমেই দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নেন। তিনি একাধারে অভিনেতা, নির্মাতা ও প্রযোজক।

আজ তার আজ তাঁর ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী।

বুলবুল আহমেদের আসল নাম তাবাররুক আহমেদ। মা-বাবা আদর করে ডাকতেন বুলবুল। তিনি ব্যাংকের শাখা প্রধান হিসেবে টানা ১০ বছর চাকরি করেন।

বাবা সরকারি কর্মকর্তা হলেও পরিবার ছিল সংস্কৃতিমনা। তাদের বাড়িতে নাটকের মহড়া চলত। বাবা খলিল আহমেদ একই সঙ্গে নাটকে অভিনয় করতেন এবং নির্দেশনা দিতেন। আড়াল থেকে, কখনো জানালা কখনো বা দরজার ফাঁক দিয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে এই মহড়া দেখতেন বুলবুল।

সেখান থেকেই অভিনয়ের অনুপ্রেরণা পান তিনি।

‘পূর্বাভাস’ নাটকের মধ্য দিয়ে অভিনয় শুরু করেন। ‘ইডিয়েট’ নাটকটির জন্য তিনি এখনও দর্শক হৃদয়ে অন্যরকম স্থান দখল করে আছেন। ১৯৭৩ সালে ‘ইয়ে করে বিয়ে’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে তাঁর অভিষেক হয়। টেলিভিশন নাটক ‘এপিঠ ওপিঠ’-এর চলচ্চিত্ররূপ ছিল এই ‘ইয়ে করে বিয়ে’।

দ্বিতীয় চলচ্চিত্র ‘অঙ্গীকার’-এ নায়ক হিসেবে অভিনয়ের পাশাপাশি কার্যনির্বাহী প্রযোজক হিসেবেও কাজ করেন তিনি। এই চলচ্চিত্রেই কবরীর সঙ্গে জুটি বেঁধে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। এই জুটি পরবর্তীতে আরও অনেকগুলো কাজ করে প্রশংসিত হয়। এরপর ‘দেবদাস’, ‘সূর্য কন্যা’, ‘সীমানা পেরিয়ে’, ‘রূপালী সৈকতে’, ‘মোহনা’, ‘মহানায়ক’সহ বহু ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন।

কর্মজীবনের স্বীকৃতি স্বরূপ বুলবুল আহমেদ চারবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।২০১০ সালের এই দিনে তিনি পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান।

 

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা প্রত্যাখ্যান করলো ইরান

হারানোর দেড় দশক: ব্যাংকার থেকে নায়ক হয়েছিলেন বুলবুল আহমেদ

আপডেট সময়: ১১:১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫

সংগৃহীত ছবি


সত্তর-আশির দশকে ঢাকাই সিনেমার অন্যতম সুদর্শন নায়ক হিসেবে দর্শকের মন জয় করে নিয়েছিলেন বুলবুল আহমেদ। অভিনয়ে আসেন শখে কিন্তু সেই শখ পরিণত হয় পেশায়। নাটক, থেকে সিনেমা সব মাধ্যমেই দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নেন। তিনি একাধারে অভিনেতা, নির্মাতা ও প্রযোজক।

আজ তার আজ তাঁর ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী।

বুলবুল আহমেদের আসল নাম তাবাররুক আহমেদ। মা-বাবা আদর করে ডাকতেন বুলবুল। তিনি ব্যাংকের শাখা প্রধান হিসেবে টানা ১০ বছর চাকরি করেন।

বাবা সরকারি কর্মকর্তা হলেও পরিবার ছিল সংস্কৃতিমনা। তাদের বাড়িতে নাটকের মহড়া চলত। বাবা খলিল আহমেদ একই সঙ্গে নাটকে অভিনয় করতেন এবং নির্দেশনা দিতেন। আড়াল থেকে, কখনো জানালা কখনো বা দরজার ফাঁক দিয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে এই মহড়া দেখতেন বুলবুল।

সেখান থেকেই অভিনয়ের অনুপ্রেরণা পান তিনি।

‘পূর্বাভাস’ নাটকের মধ্য দিয়ে অভিনয় শুরু করেন। ‘ইডিয়েট’ নাটকটির জন্য তিনি এখনও দর্শক হৃদয়ে অন্যরকম স্থান দখল করে আছেন। ১৯৭৩ সালে ‘ইয়ে করে বিয়ে’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে তাঁর অভিষেক হয়। টেলিভিশন নাটক ‘এপিঠ ওপিঠ’-এর চলচ্চিত্ররূপ ছিল এই ‘ইয়ে করে বিয়ে’।

দ্বিতীয় চলচ্চিত্র ‘অঙ্গীকার’-এ নায়ক হিসেবে অভিনয়ের পাশাপাশি কার্যনির্বাহী প্রযোজক হিসেবেও কাজ করেন তিনি। এই চলচ্চিত্রেই কবরীর সঙ্গে জুটি বেঁধে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। এই জুটি পরবর্তীতে আরও অনেকগুলো কাজ করে প্রশংসিত হয়। এরপর ‘দেবদাস’, ‘সূর্য কন্যা’, ‘সীমানা পেরিয়ে’, ‘রূপালী সৈকতে’, ‘মোহনা’, ‘মহানায়ক’সহ বহু ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন।

কর্মজীবনের স্বীকৃতি স্বরূপ বুলবুল আহমেদ চারবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।২০১০ সালের এই দিনে তিনি পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান।