০৫:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

কিংবদন্তি কন্ঠশিল্পী মিনা বশিরের প্রয়াণ দিবস আজ

  • আপডেট সময়: ১০:২৬:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫
  • 192

উত্তরাধুনিক ডেস্ক: আজ বৃহস্পতিবার ৭ আগস্ট কিংবদন্তি কন্ঠশিল্পী মিনা বশিরের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১৪ সালের ৭ আগস্ট রাত পৌনে ১০টার দিকে রাজধানির মোহাম্মদপুরে নিজ বাসায় ইন্তেকাল করেন তিনি।

মিনা বশির ছিলেন কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী, সংগীত পরিচালক ও সংগীতজ্ঞ বশির আহমেদের সহধর্মিণী। তিনি এক ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

এই দম্পতির দুই সুযোগ্য সন্তান হোমায়রা বশির ও রাজা বশির এই সময়ের জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী।

স্বামী বশির আহমেদের সাথে মিনা বশির

১৯৫৯ সালের ১৬ মে নেপালে জন্মেছিলেন মিনা বশির। বশির আহমেদের সঙ্গে অনেক কালজয়ী গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। এ তালিকায় রয়েছে ‘পাহাড় নদী ঝর্ণাধারা’ (স্বামীর সোহাগ), ‘ভুল যে হবে ও ভোলা মন’ (এক দুই তিন), ‘ওগো প্রিয়তমা ওরা জানতে চেয়েছে’,  ‘সবাই আমায় প্রেমিক বলে’, প্রভৃতি। একক কণ্ঠে তার জনপ্রিয় গান ‘যা যা উড়ে যা’, ‘কতো রাত ভেবেছি’ প্রভৃতি।

স্বামী বশির আহমেদের সাথে তিনি আরো গেয়েছিলেন ‘ঘুম ঘুম তারা জ্বলে’ গানটি।


ওগো প্রিয়তমা, ওরা জানতে চেয়েছে…

Romantic Song | Ogo Priyotoma | Bashir Ahmed & Mina Bashir | Official Lyrical Song


মিনা বশির ছিলেন বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের ‘বিশেষ শ্রেণির’ শিল্পী। বেশ কিছু চলচ্চিত্রের গানেও তিনি কণ্ঠ দিয়েছেন। তাঁর গাওয়া জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে  আরো  রয়েছে ‘যা যা উড়ে যা’, ‘কত রাত ভেবেছি’, ‘সবাই আমায় প্রেমিক বলে’ ‘ওগো প্রিয়তম ওরা জানতে চেয়েছে’ এসব।

হোমায়রা বশির ও রাজা বশির

ষাটের দশকের কন্ঠশিল্পী মিনা বশির জন্মগ্রহণ করেন নেপালের রাজধানি কাঠমান্ডুর এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে ১৯৫৯ সালের ১৬ মে। অল্প বয়স থেকেই তিনি গান শিখতেন ও গাইতেন। তবে নেপালে ভালো কোনো ওস্তাদ না থাকায় তিনি পাড়ি দেন ভারতে। ভর্তি হন কলকাতার রবীন্দ্রভারতীতে। সেখানে তার অন্যতম ওস্তাদ ছিলেন অমীয়রঞ্জন ব্যানার্জি।

এরপর তিনি আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে গেলেন গানে। আকাশবাণীতে গান করলেন। তার রেকর্ড বের হলো। কলকাতাতেই একটা অনুষ্ঠানে তার সাথে পরিচয় হয় বশির আহমেদের সাথে। তিনি মুগ্ধ হয়েছিলেন বশির আহমেদের গান শুনে। তিনি  বাসায় বশির আহমেদকে দাওয়াত দেন। বশির আহমেদ গেলেন, এবং গানবাজনা হলো। এরপর নিয়মিত যোগাযোগ ও পরিণয়। এরপর তারা চলে আসেন ঢাকায়।

ওপারে ভালো থাকুন শ্রদ্ধেয় শিল্পী।

 

 

 

 

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা প্রত্যাখ্যান করলো ইরান

কিংবদন্তি কন্ঠশিল্পী মিনা বশিরের প্রয়াণ দিবস আজ

আপডেট সময়: ১০:২৬:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫

উত্তরাধুনিক ডেস্ক: আজ বৃহস্পতিবার ৭ আগস্ট কিংবদন্তি কন্ঠশিল্পী মিনা বশিরের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১৪ সালের ৭ আগস্ট রাত পৌনে ১০টার দিকে রাজধানির মোহাম্মদপুরে নিজ বাসায় ইন্তেকাল করেন তিনি।

মিনা বশির ছিলেন কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী, সংগীত পরিচালক ও সংগীতজ্ঞ বশির আহমেদের সহধর্মিণী। তিনি এক ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

এই দম্পতির দুই সুযোগ্য সন্তান হোমায়রা বশির ও রাজা বশির এই সময়ের জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী।

স্বামী বশির আহমেদের সাথে মিনা বশির

১৯৫৯ সালের ১৬ মে নেপালে জন্মেছিলেন মিনা বশির। বশির আহমেদের সঙ্গে অনেক কালজয়ী গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। এ তালিকায় রয়েছে ‘পাহাড় নদী ঝর্ণাধারা’ (স্বামীর সোহাগ), ‘ভুল যে হবে ও ভোলা মন’ (এক দুই তিন), ‘ওগো প্রিয়তমা ওরা জানতে চেয়েছে’,  ‘সবাই আমায় প্রেমিক বলে’, প্রভৃতি। একক কণ্ঠে তার জনপ্রিয় গান ‘যা যা উড়ে যা’, ‘কতো রাত ভেবেছি’ প্রভৃতি।

স্বামী বশির আহমেদের সাথে তিনি আরো গেয়েছিলেন ‘ঘুম ঘুম তারা জ্বলে’ গানটি।


ওগো প্রিয়তমা, ওরা জানতে চেয়েছে…

Romantic Song | Ogo Priyotoma | Bashir Ahmed & Mina Bashir | Official Lyrical Song


মিনা বশির ছিলেন বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের ‘বিশেষ শ্রেণির’ শিল্পী। বেশ কিছু চলচ্চিত্রের গানেও তিনি কণ্ঠ দিয়েছেন। তাঁর গাওয়া জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে  আরো  রয়েছে ‘যা যা উড়ে যা’, ‘কত রাত ভেবেছি’, ‘সবাই আমায় প্রেমিক বলে’ ‘ওগো প্রিয়তম ওরা জানতে চেয়েছে’ এসব।

হোমায়রা বশির ও রাজা বশির

ষাটের দশকের কন্ঠশিল্পী মিনা বশির জন্মগ্রহণ করেন নেপালের রাজধানি কাঠমান্ডুর এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে ১৯৫৯ সালের ১৬ মে। অল্প বয়স থেকেই তিনি গান শিখতেন ও গাইতেন। তবে নেপালে ভালো কোনো ওস্তাদ না থাকায় তিনি পাড়ি দেন ভারতে। ভর্তি হন কলকাতার রবীন্দ্রভারতীতে। সেখানে তার অন্যতম ওস্তাদ ছিলেন অমীয়রঞ্জন ব্যানার্জি।

এরপর তিনি আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে গেলেন গানে। আকাশবাণীতে গান করলেন। তার রেকর্ড বের হলো। কলকাতাতেই একটা অনুষ্ঠানে তার সাথে পরিচয় হয় বশির আহমেদের সাথে। তিনি মুগ্ধ হয়েছিলেন বশির আহমেদের গান শুনে। তিনি  বাসায় বশির আহমেদকে দাওয়াত দেন। বশির আহমেদ গেলেন, এবং গানবাজনা হলো। এরপর নিয়মিত যোগাযোগ ও পরিণয়। এরপর তারা চলে আসেন ঢাকায়।

ওপারে ভালো থাকুন শ্রদ্ধেয় শিল্পী।