০৬:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

সাদাপাথর লুটপাটে ১৩৭ জন জড়িত: তদন্ত প্রতিবেদন

  • আপডেট সময়: ০৭:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫
  • 103

সংগৃহীত ছবি


সিলেটে সাদাপাথর পাথর লুটের ঘটনায় ১৩৭ জনকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে জেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটি। প্রতিবেদনে কিছু পর্যবেক্ষণ এবং ১০টি সুপারিশও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বুধবার (২০ আগস্ট) বিকেলে বিদায়ী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদের কাছে প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদ্মাসন সিংহ। জেলা প্রশাসক জানান, প্রতিবেদনটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হবে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র থেকে প্রায় ৮০ শতাংশ পাথর লুট হয়ে গেছে। ঘটনাটি প্রকাশিত হলে দেশ-বিদেশে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এ প্রেক্ষাপটে গত ১২ আগস্ট জেলা প্রশাসন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদ্মাসন সিংহ।

সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজিজুন্নাহার (সম্প্রতি বদলি হয়েছেন) এবং পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেটের সহকারী পরিচালক মো. আফজারুল ইসলাম।

তদন্ত কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলা এবং বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এই প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। প্রতিবেদনে কারা কারা সম্পৃক্ত, কী কারণে এ লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রোধে করণীয় বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।

 

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist

রিজওয়ানার থাবায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র

সাদাপাথর লুটপাটে ১৩৭ জন জড়িত: তদন্ত প্রতিবেদন

আপডেট সময়: ০৭:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫

সংগৃহীত ছবি


সিলেটে সাদাপাথর পাথর লুটের ঘটনায় ১৩৭ জনকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে জেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটি। প্রতিবেদনে কিছু পর্যবেক্ষণ এবং ১০টি সুপারিশও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বুধবার (২০ আগস্ট) বিকেলে বিদায়ী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদের কাছে প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদ্মাসন সিংহ। জেলা প্রশাসক জানান, প্রতিবেদনটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হবে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র থেকে প্রায় ৮০ শতাংশ পাথর লুট হয়ে গেছে। ঘটনাটি প্রকাশিত হলে দেশ-বিদেশে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এ প্রেক্ষাপটে গত ১২ আগস্ট জেলা প্রশাসন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদ্মাসন সিংহ।

সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজিজুন্নাহার (সম্প্রতি বদলি হয়েছেন) এবং পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেটের সহকারী পরিচালক মো. আফজারুল ইসলাম।

তদন্ত কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলা এবং বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এই প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। প্রতিবেদনে কারা কারা সম্পৃক্ত, কী কারণে এ লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রোধে করণীয় বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।