০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট: অবিলম্বে অসম ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তি বাতিল করুন

  • আপডেট সময়: ০৫:৫৭:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • 4

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের অসম বাণিজ্যচুক্তিসহ জাতীয় স্বার্থবিরোধী সব চুক্তি বাতিল, চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি কম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দেওয়ার পাঁয়তারা বন্ধ এবং ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা বন্ধের দাবিতে সারা দেশে প্রচার-গণসংযোগ সপ্তাহ শুরু করেছে সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে ব্যানার ফেস্টুনসহ মিছিল সহকারে লিফলেট বিলি ও গণসংযোগ করা হয়।

প্রেস ক্লাব থেকে পল্টন মোড়, দৈনিক বাংলা হয়ে মিছিলটি মতিঝিল শাপলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পথে পল্টন মোড় ও সোনালী ব্যাংকের সামনে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন জোটের কেন্দ্রীয় নেতা ও বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ।

সমাবেশে জাসদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা বেলাল চৌধুরী, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) প্রেসিডিয়াম সদস্য রাগিব আহসান মুন্না, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার, বাসদ (মার্ক্সবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা, সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্কাফি রতন, বাসদ (মাহবুব) কেন্দ্রীয় নেতা মহিন উদ্দিন চৌধুরী লিটন, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা শহীদুল ইসলাম সবুজ, জাতীয় গণফ্রন্টের ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়ক রজত হুদা, সোনার বাংলা পার্টির সভাপতি সৈয়দ হারুন অর রশীদ, বাংলাদেশের সোশ্যালিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, বাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জুলফিকার আলী, জোটের নগর নেতা খালেকুজ্জামান লিপন, সামছুল আলম জুলফিকার, সীমা দত্ত, মাঈন উদ্দিন চৌধুরী, সুশান্ত সিনহা সুমন, সাইফুল ইসলাম সমির, সুস্মিতা মরিয়ম সুপ্তি, ছাত্রনেতা রায়হান উদ্দিন, বিশ্বজিৎ শীল প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, এ বাণিজ্যচুক্তি কার্যকর হলে দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা মারাত্মক হুমকিতে পড়বে। আমাদের কৃষি, শিল্প, বাণিজ্য আমেরিকার কাছে জিম্মি হয়ে পড়বে।

আন্তর্জাতিক বাজার দরের চেয়ে বেশি দামে গম, তুলা, সয়াবিন, মাছ, মাংস, এলএনজি ও সমরাস্ত্র কিনতে বাধ্য হবো। বছরে প্রায় ১৩০০ কোটি ডলার রাজস্ব হারাব; অর্থনৈতিক নিরাপত্তা চরমভাবে বিঘ্নিত হবে। এ দেশ বিক্রির বাণিজ্যচুক্তি অন্তর্বর্তী সরকার এখতিয়ারবহির্ভূতভাবে অতি গোপনে কাউকে না জানিয়ে করেছে।

তারা বলেন, সংবিধানে আছে আন্তর্জাতিক কোনো চুক্তি করতে হলে সেটি জাতীয় সংসদে আলোচনা ও অনুমোদন করতে হবে।

এ চুক্তি যখন করেছে তখন দেশে সংসদ ছিল না, অনির্বাচিত সরকার ছিল। আজ নির্বাচন হয়েছে নির্বাচিত সংসদ আছে। নির্বাচিত সরকার রয়েছে। সরকার সংসদে সর্বক্ষণ সংবিধানের কথা বলছে অথচ সংবিধানে উল্লিখিত বিধান সত্ত্বেও বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনায় কোনো আগ্রহ দেখছি না। সংসদে বিরোধী দলও বাণিজ্যচুক্তির ব্যাপারে মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে।

চলতি অধিবেশনেই বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে সংসদে আলোচনা করে দেশের স্বার্থবিরোধী শর্ত চুক্তি থেকে বাদ দেওয়ার দাবি করেন নেতৃবৃন্দ।

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist

সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট: অবিলম্বে অসম ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তি বাতিল করুন

আপডেট সময়: ০৫:৫৭:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের অসম বাণিজ্যচুক্তিসহ জাতীয় স্বার্থবিরোধী সব চুক্তি বাতিল, চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি কম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দেওয়ার পাঁয়তারা বন্ধ এবং ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা বন্ধের দাবিতে সারা দেশে প্রচার-গণসংযোগ সপ্তাহ শুরু করেছে সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে ব্যানার ফেস্টুনসহ মিছিল সহকারে লিফলেট বিলি ও গণসংযোগ করা হয়।

প্রেস ক্লাব থেকে পল্টন মোড়, দৈনিক বাংলা হয়ে মিছিলটি মতিঝিল শাপলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পথে পল্টন মোড় ও সোনালী ব্যাংকের সামনে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন জোটের কেন্দ্রীয় নেতা ও বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ।

সমাবেশে জাসদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা বেলাল চৌধুরী, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) প্রেসিডিয়াম সদস্য রাগিব আহসান মুন্না, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার, বাসদ (মার্ক্সবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা, সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্কাফি রতন, বাসদ (মাহবুব) কেন্দ্রীয় নেতা মহিন উদ্দিন চৌধুরী লিটন, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা শহীদুল ইসলাম সবুজ, জাতীয় গণফ্রন্টের ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়ক রজত হুদা, সোনার বাংলা পার্টির সভাপতি সৈয়দ হারুন অর রশীদ, বাংলাদেশের সোশ্যালিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, বাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জুলফিকার আলী, জোটের নগর নেতা খালেকুজ্জামান লিপন, সামছুল আলম জুলফিকার, সীমা দত্ত, মাঈন উদ্দিন চৌধুরী, সুশান্ত সিনহা সুমন, সাইফুল ইসলাম সমির, সুস্মিতা মরিয়ম সুপ্তি, ছাত্রনেতা রায়হান উদ্দিন, বিশ্বজিৎ শীল প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, এ বাণিজ্যচুক্তি কার্যকর হলে দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা মারাত্মক হুমকিতে পড়বে। আমাদের কৃষি, শিল্প, বাণিজ্য আমেরিকার কাছে জিম্মি হয়ে পড়বে।

আন্তর্জাতিক বাজার দরের চেয়ে বেশি দামে গম, তুলা, সয়াবিন, মাছ, মাংস, এলএনজি ও সমরাস্ত্র কিনতে বাধ্য হবো। বছরে প্রায় ১৩০০ কোটি ডলার রাজস্ব হারাব; অর্থনৈতিক নিরাপত্তা চরমভাবে বিঘ্নিত হবে। এ দেশ বিক্রির বাণিজ্যচুক্তি অন্তর্বর্তী সরকার এখতিয়ারবহির্ভূতভাবে অতি গোপনে কাউকে না জানিয়ে করেছে।

তারা বলেন, সংবিধানে আছে আন্তর্জাতিক কোনো চুক্তি করতে হলে সেটি জাতীয় সংসদে আলোচনা ও অনুমোদন করতে হবে।

এ চুক্তি যখন করেছে তখন দেশে সংসদ ছিল না, অনির্বাচিত সরকার ছিল। আজ নির্বাচন হয়েছে নির্বাচিত সংসদ আছে। নির্বাচিত সরকার রয়েছে। সরকার সংসদে সর্বক্ষণ সংবিধানের কথা বলছে অথচ সংবিধানে উল্লিখিত বিধান সত্ত্বেও বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনায় কোনো আগ্রহ দেখছি না। সংসদে বিরোধী দলও বাণিজ্যচুক্তির ব্যাপারে মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে।

চলতি অধিবেশনেই বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে সংসদে আলোচনা করে দেশের স্বার্থবিরোধী শর্ত চুক্তি থেকে বাদ দেওয়ার দাবি করেন নেতৃবৃন্দ।