১১:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রামে সংঘর্ষ নিয়ে সংসদে উত্তেজনা, সরকার–বিরোধী দলের তর্ক-বিতর্ক

  • আপডেট সময়: ০৩:৩৯:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • 3

চট্টগ্রামে সংঘর্ষ নিয়ে সংসদে উত্তেজনা


চট্টগ্রামের একটি সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদে সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে উত্তেজনা ও তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। আলোচনার এক পর্যায়ে অধিবেশন কক্ষে হইচই ও উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়।

বুধবার (২২ এপ্রিল) রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ভুঁঞা বিরোধী দলের বিরুদ্ধে সরকারকে বিব্রত করতে চক্রান্তের অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, বিরোধী দলের আচরণে সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হলে জনগণ নীরব থাকবে না। একইসঙ্গে তিনি বিরোধী দলকে দায়িত্বশীল আচরণ করে সরকারকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

চট্টগ্রামের সাম্প্রতিক একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, সিটি কলেজে ছাত্রদলের ওপর শিবির হামলা করেছে। একটি নির্দিষ্ট শব্দ লেখাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন এবং এটিকে গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর বলে মন্তব্য করেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে খাগড়াছড়ি থেকে নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।


‘কয়েক বছর টিকা আমদানি বন্ধ থাকায় হাম পরিস্থিতি জটিল হয়েছে’


তিনি পাহাড়ি এলাকায় কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি শক্তিশালী করতে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ স্থাপনের প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি বন সংরক্ষণ ও গবেষণার জন্য একটি বন গবেষণা ইনস্টিটিউট স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।

এদিকে, তার বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানান।

তিনি অভিযোগ করেন, বক্তব্যে অসংসদীয় ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে এবং তা কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সংসদে হুমকিমূলক ভাষা ব্যবহার করা সংসদীয় আচরণের পরিপন্থী।

পরিস্থিতি শান্ত করতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, বক্তব্য পর্যালোচনা করে প্রয়োজন হলে অসংসদীয় শব্দ বাদ দেওয়া হবে। তবে তিনি সদস্যদের বক্তব্যের মাধ্যমে জবাব দেওয়ার আহ্বান জানান এবং অধিবেশন চলাকালে শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দেন।

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist

বিনোদনমূলক মাদক গ্রহণ করে তদন্তের মুখে পাকিস্তানি ক্রিকেটার

চট্টগ্রামে সংঘর্ষ নিয়ে সংসদে উত্তেজনা, সরকার–বিরোধী দলের তর্ক-বিতর্ক

আপডেট সময়: ০৩:৩৯:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রামে সংঘর্ষ নিয়ে সংসদে উত্তেজনা


চট্টগ্রামের একটি সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদে সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে উত্তেজনা ও তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। আলোচনার এক পর্যায়ে অধিবেশন কক্ষে হইচই ও উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়।

বুধবার (২২ এপ্রিল) রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ভুঁঞা বিরোধী দলের বিরুদ্ধে সরকারকে বিব্রত করতে চক্রান্তের অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, বিরোধী দলের আচরণে সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হলে জনগণ নীরব থাকবে না। একইসঙ্গে তিনি বিরোধী দলকে দায়িত্বশীল আচরণ করে সরকারকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

চট্টগ্রামের সাম্প্রতিক একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, সিটি কলেজে ছাত্রদলের ওপর শিবির হামলা করেছে। একটি নির্দিষ্ট শব্দ লেখাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন এবং এটিকে গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর বলে মন্তব্য করেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে খাগড়াছড়ি থেকে নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।


‘কয়েক বছর টিকা আমদানি বন্ধ থাকায় হাম পরিস্থিতি জটিল হয়েছে’


তিনি পাহাড়ি এলাকায় কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি শক্তিশালী করতে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ স্থাপনের প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি বন সংরক্ষণ ও গবেষণার জন্য একটি বন গবেষণা ইনস্টিটিউট স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।

এদিকে, তার বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানান।

তিনি অভিযোগ করেন, বক্তব্যে অসংসদীয় ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে এবং তা কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সংসদে হুমকিমূলক ভাষা ব্যবহার করা সংসদীয় আচরণের পরিপন্থী।

পরিস্থিতি শান্ত করতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, বক্তব্য পর্যালোচনা করে প্রয়োজন হলে অসংসদীয় শব্দ বাদ দেওয়া হবে। তবে তিনি সদস্যদের বক্তব্যের মাধ্যমে জবাব দেওয়ার আহ্বান জানান এবং অধিবেশন চলাকালে শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দেন।