১১:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

দুই লাখ ফ্রিল্যান্সারকে আইডি কার্ড দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট সময়: ০৩:৪৪:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • 2

দেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর্মসংস্থান বাড়াতে বড় উদ্যোগের কথা জানিয়েছে সরকার। আগামী পাঁচ বছরে দুই লাখ ফ্রিল্যান্সারকে আইডি কার্ড দেওয়ার পাশাপাশি জনপ্রিয় অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে ‘পেপ্যাল’ চালুর পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তরুণদের দক্ষ করে তুলতে ব্যাপক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

বুধবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আজিজের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে সরকারপ্রধান এসব তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন বিভিন্ন সংস্থা আইটি খাতের বিকাশ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এরই অংশ হিসেবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদফতর আগামী পাঁচ বছরে এক হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দিয়ে নতুন ফ্রিল্যান্সার তৈরি করবে এবং একই সময়ে ২ লাখ ফ্রিল্যান্সারকে আইডি কার্ড প্রদান করবে। ইতোমধ্যে ৭ হাজার ৫০০ জন ফ্রিল্যান্সারকে আইডি কার্ড দেওয়া হয়েছে এবং কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ২০২৬ সালে ২ হাজার ৪০০ জনকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং ও ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মতো উচ্চপ্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে বর্তমানে ৮৩টি সেবা অনলাইনে দেওয়া হচ্ছে এবং আগামী এক বছরের মধ্যে আরও ১০টি নতুন সেবা যুক্ত করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরো জানান, পেপ্যালের কার্যক্রম চালু ও হাই-টেক/সফটওয়্যার পার্কগুলো কার্যকরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের উদ্যোগে আগামী পাঁচ বছরে ২০টি ব্যাচে প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীকে আইটিইই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি ৫ হাজার ২০ জন চাকরিপ্রার্থী ও শিক্ষার্থীকে এআই, মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট, পাইথন প্রোগ্রামিং, ডাটা অ্যানালাইটিক্স ও সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ে স্বল্পমেয়াদি এবং এক বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ও পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন প্রায় ৭০০ জনকে বেসিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দিয়ে স্বাবলম্বী করার কর্মসূচি এবং সমসংখ্যক নারী উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরিকল্পনাও রয়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন ব্যাচে এসব প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

 

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist

বিনোদনমূলক মাদক গ্রহণ করে তদন্তের মুখে পাকিস্তানি ক্রিকেটার

দুই লাখ ফ্রিল্যান্সারকে আইডি কার্ড দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময়: ০৩:৪৪:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

দেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর্মসংস্থান বাড়াতে বড় উদ্যোগের কথা জানিয়েছে সরকার। আগামী পাঁচ বছরে দুই লাখ ফ্রিল্যান্সারকে আইডি কার্ড দেওয়ার পাশাপাশি জনপ্রিয় অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে ‘পেপ্যাল’ চালুর পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তরুণদের দক্ষ করে তুলতে ব্যাপক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

বুধবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আজিজের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে সরকারপ্রধান এসব তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন বিভিন্ন সংস্থা আইটি খাতের বিকাশ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এরই অংশ হিসেবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদফতর আগামী পাঁচ বছরে এক হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দিয়ে নতুন ফ্রিল্যান্সার তৈরি করবে এবং একই সময়ে ২ লাখ ফ্রিল্যান্সারকে আইডি কার্ড প্রদান করবে। ইতোমধ্যে ৭ হাজার ৫০০ জন ফ্রিল্যান্সারকে আইডি কার্ড দেওয়া হয়েছে এবং কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ২০২৬ সালে ২ হাজার ৪০০ জনকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং ও ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মতো উচ্চপ্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে বর্তমানে ৮৩টি সেবা অনলাইনে দেওয়া হচ্ছে এবং আগামী এক বছরের মধ্যে আরও ১০টি নতুন সেবা যুক্ত করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরো জানান, পেপ্যালের কার্যক্রম চালু ও হাই-টেক/সফটওয়্যার পার্কগুলো কার্যকরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের উদ্যোগে আগামী পাঁচ বছরে ২০টি ব্যাচে প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীকে আইটিইই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি ৫ হাজার ২০ জন চাকরিপ্রার্থী ও শিক্ষার্থীকে এআই, মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট, পাইথন প্রোগ্রামিং, ডাটা অ্যানালাইটিক্স ও সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ে স্বল্পমেয়াদি এবং এক বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ও পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন প্রায় ৭০০ জনকে বেসিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দিয়ে স্বাবলম্বী করার কর্মসূচি এবং সমসংখ্যক নারী উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরিকল্পনাও রয়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন ব্যাচে এসব প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।