০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

পেনশন স্কিমে নিবন্ধিত হলেন ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৫৪৫ জন

  • আপডেট সময়: ০৪:২২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • 3

সংগৃহীত ছবি


জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের আওতায় চালু হওয়া চারটি পেনশন স্কিমে মোট ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৫৪৫ জন নিবন্ধিত হয়েছেন। প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতা নামে নিবন্ধিত ব্যক্তিদের পেনশন তহবিলে মোট জমার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৫৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা। মুনাফাসহ এ পর্যন্ত মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ২৭৯ কোটি ৭৪ লাখ টাকা।


আরো পড়ুন

লঘুচাপ ঘনীভূত হওয়ার আভাস, বাড়তে পারে বৃষ্টি

https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/05/12/1684071


অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, প্রথম একবছরে এই স্কিমে যেখানে যুক্ত হয়েছিল প্রায় পৌনে চার লাখ মানুষ, সেখানে পরের ২০ মাসে এ সংখ্যা বেড়েছে কেবল পাঁচ হাজারের মত।

চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত স্কিমগুলোর বিষয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্যই জানিয়েছে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের অগ্রগতি, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অর্থসচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরো পড়ুন

এপ্রিলেই যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৩.৮ শতাংশ

https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/05/12/1684069


বৈঠকের বিষয়ে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান সর্বজনীন পেনশন স্কিমের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে একটি বিস্তারিত উপস্থাপনা প্রদান করেন।

এতে বাংলাদেশের মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৮৫ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত এবং দেশের বয়স্ক জনগোষ্ঠীর নির্ভরশীলতার অনুপাত ২০২৩ সালের ৯.৪ শতাংশ থেকে ২০৫০ সালে ২৪ শতাংশ ও ২০৭৫ সালে ৪৮ শতাংশে উন্নীত হবে। ভবিষ্যতের এই জনমিতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে সর্বজনীন পেনশন স্কিমকে আরও শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হিসেবে গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

অর্থমন্ত্রী সর্বজনীন পেনশন স্কিমের সম্প্রসারণে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন এবং ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের প্রায় ৪ কোটি পরিবারের প্রতিটি থেকে কমপক্ষে একজন সদস্যকে পেনশন স্কিমের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের নির্দেশনা প্রদান করেন।

একই সঙ্গে স্কিমকে আরো আকর্ষণীয় করতে শরিয়াহভিত্তিক পেনশন স্কিম চালু, নমিনিদের জন্য আজীবন পেনশন সুবিধা বিবেচনা এবং প্রগতি স্কিমে আউটসোর্সিং কর্মীদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন।


আরো পড়ুন

রোহিঙ্গা শিবিরে স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ উদ্বেগজনক

https://www.kalerkantho.com/online/opinion/2026/05/12/1684065


সভায় আরো জানানো হয়, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ প্রকল্পে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহজশর্তে ঋণ প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ ছাড়া ৪৫টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিকাশ, নগদ ও টেলিটকের মাধ্যমে চাঁদা গ্রহণের ব্যবস্থা এবং ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে সভায় অবহিত করা হয়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬ অনুযায়ী বেসরকারি খাতের কর্মীদের বার্ধক্যকালীন আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘পেনশন ফান্ড’ গঠন একটি অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার। তিনি সর্বজনীন পেনশন স্কিমে জনগণের আস্থা বৃদ্ধি, প্রচার কার্যক্রম জোরদার, সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দক্ষ ও পেশাদার জনবল নিয়োগের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist
জনপ্রিয়

১ ঘণ্টা ৫০ মিনিটে পাকিস্তানের শেষ ৭ উইকেট নিয়ে ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের

পেনশন স্কিমে নিবন্ধিত হলেন ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৫৪৫ জন

আপডেট সময়: ০৪:২২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

সংগৃহীত ছবি


জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের আওতায় চালু হওয়া চারটি পেনশন স্কিমে মোট ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৫৪৫ জন নিবন্ধিত হয়েছেন। প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতা নামে নিবন্ধিত ব্যক্তিদের পেনশন তহবিলে মোট জমার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৫৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা। মুনাফাসহ এ পর্যন্ত মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ২৭৯ কোটি ৭৪ লাখ টাকা।


আরো পড়ুন

লঘুচাপ ঘনীভূত হওয়ার আভাস, বাড়তে পারে বৃষ্টি

https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/05/12/1684071


অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, প্রথম একবছরে এই স্কিমে যেখানে যুক্ত হয়েছিল প্রায় পৌনে চার লাখ মানুষ, সেখানে পরের ২০ মাসে এ সংখ্যা বেড়েছে কেবল পাঁচ হাজারের মত।

চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত স্কিমগুলোর বিষয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্যই জানিয়েছে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের অগ্রগতি, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অর্থসচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরো পড়ুন

এপ্রিলেই যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৩.৮ শতাংশ

https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/05/12/1684069


বৈঠকের বিষয়ে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান সর্বজনীন পেনশন স্কিমের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে একটি বিস্তারিত উপস্থাপনা প্রদান করেন।

এতে বাংলাদেশের মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৮৫ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত এবং দেশের বয়স্ক জনগোষ্ঠীর নির্ভরশীলতার অনুপাত ২০২৩ সালের ৯.৪ শতাংশ থেকে ২০৫০ সালে ২৪ শতাংশ ও ২০৭৫ সালে ৪৮ শতাংশে উন্নীত হবে। ভবিষ্যতের এই জনমিতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে সর্বজনীন পেনশন স্কিমকে আরও শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হিসেবে গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

অর্থমন্ত্রী সর্বজনীন পেনশন স্কিমের সম্প্রসারণে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন এবং ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের প্রায় ৪ কোটি পরিবারের প্রতিটি থেকে কমপক্ষে একজন সদস্যকে পেনশন স্কিমের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের নির্দেশনা প্রদান করেন।

একই সঙ্গে স্কিমকে আরো আকর্ষণীয় করতে শরিয়াহভিত্তিক পেনশন স্কিম চালু, নমিনিদের জন্য আজীবন পেনশন সুবিধা বিবেচনা এবং প্রগতি স্কিমে আউটসোর্সিং কর্মীদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন।


আরো পড়ুন

রোহিঙ্গা শিবিরে স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ উদ্বেগজনক

https://www.kalerkantho.com/online/opinion/2026/05/12/1684065


সভায় আরো জানানো হয়, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ প্রকল্পে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহজশর্তে ঋণ প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ ছাড়া ৪৫টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিকাশ, নগদ ও টেলিটকের মাধ্যমে চাঁদা গ্রহণের ব্যবস্থা এবং ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে সভায় অবহিত করা হয়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬ অনুযায়ী বেসরকারি খাতের কর্মীদের বার্ধক্যকালীন আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘পেনশন ফান্ড’ গঠন একটি অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার। তিনি সর্বজনীন পেনশন স্কিমে জনগণের আস্থা বৃদ্ধি, প্রচার কার্যক্রম জোরদার, সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দক্ষ ও পেশাদার জনবল নিয়োগের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।