০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

কোণঠাসা স্টারমার, এক দিনে ৩ মন্ত্রীর পদত্যাগ

  • আপডেট সময়: ০৪:৩৬:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • 3

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের ওপর রাজনৈতিক চাপ আরো বেড়েছে। স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির ভরাডুবির পর মঙ্গলবার তার মন্ত্রিসভা থেকে একে একে তিন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন।

তারা হলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জেস ফিলিপস, ডিভল্যুশন, ফেইথ অ্যান্ড কমিউনিটিজ বিষয়ক মন্ত্রী মিয়াত্তা ফানবুলেহ এবং নারী ও কন্যাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রতিরোধ ও ভিকটিমস বিষয়ক মন্ত্রী অ্যালেক্স ডেভিস জোন্স।

বার্তা সংস্থা সিএনএন বলছে, গত কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তারা পদত্যাগপত্র জমা দেন।

যা স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে লেবার পার্টির ভেতরে বাড়তে থাকা অসন্তোষকে আরো স্পষ্ট করেছে।

ব্রিটিশ পার্লামেন্টের তথ্য অনুযায়ী, মন্ত্রিসভা বা ক্যাবিনেট হলো সরকারের সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ প্রায় ২০ জন মন্ত্রীর দল, যাদের প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত খাত পরিচালনার দায়িত্ব দেন। এর মধ্যে স্বাস্থ্য, পরিবহন, পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও রয়েছে।

স্টারমারের মন্ত্রিসভার উল্লেখযোগ্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন উপপ্রধানমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি, অর্থমন্ত্রী র্যাচেল রিভস এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার।

তবে সংকটের মধ্যেও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী প্রকাশ্যে স্টারমারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলিসহ মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্য সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পাশে থাকার কথা জানিয়েছেন।


আরো পড়ুন

পরাজয় মেনে নিয়েও ক্ষমতায় থাকতে অনড় স্টারমার

https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/05/12/1683907


গত সপ্তাহের স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির বড় পরাজয়ের পর থেকেই স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। ইতোমধ্যে দলটির বহু এমপি তার কাছে পদত্যাগের সময়সূচি ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন।

দলের নেতৃত্ব পরিবর্তনের চাপ দিন দিন বাড়লেও তিনি সরে দাঁড়ানোর কোনো ইঙ্গিত দেননি। বরং স্পষ্ট ভাষায় জানালেন, তিনি সরকার পরিচালনা চালিয়ে যাবেন। মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে স্টারমার বলেন, গত ৪৮ ঘণ্টার রাজনৈতিক অস্থিরতা সরকার ও দেশের অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠেছে।

মন্ত্রীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দেশের মানুষ সরকারের কাছ থেকে দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করে। তাদের এখন মূল কাজ হওয়া উচিত, সরকার পরিচালনায় মনোযোগ দেওয়া।

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist
জনপ্রিয়

১ ঘণ্টা ৫০ মিনিটে পাকিস্তানের শেষ ৭ উইকেট নিয়ে ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের

কোণঠাসা স্টারমার, এক দিনে ৩ মন্ত্রীর পদত্যাগ

আপডেট সময়: ০৪:৩৬:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের ওপর রাজনৈতিক চাপ আরো বেড়েছে। স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির ভরাডুবির পর মঙ্গলবার তার মন্ত্রিসভা থেকে একে একে তিন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন।

তারা হলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জেস ফিলিপস, ডিভল্যুশন, ফেইথ অ্যান্ড কমিউনিটিজ বিষয়ক মন্ত্রী মিয়াত্তা ফানবুলেহ এবং নারী ও কন্যাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রতিরোধ ও ভিকটিমস বিষয়ক মন্ত্রী অ্যালেক্স ডেভিস জোন্স।

বার্তা সংস্থা সিএনএন বলছে, গত কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তারা পদত্যাগপত্র জমা দেন।

যা স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে লেবার পার্টির ভেতরে বাড়তে থাকা অসন্তোষকে আরো স্পষ্ট করেছে।

ব্রিটিশ পার্লামেন্টের তথ্য অনুযায়ী, মন্ত্রিসভা বা ক্যাবিনেট হলো সরকারের সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ প্রায় ২০ জন মন্ত্রীর দল, যাদের প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত খাত পরিচালনার দায়িত্ব দেন। এর মধ্যে স্বাস্থ্য, পরিবহন, পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও রয়েছে।

স্টারমারের মন্ত্রিসভার উল্লেখযোগ্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন উপপ্রধানমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি, অর্থমন্ত্রী র্যাচেল রিভস এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার।

তবে সংকটের মধ্যেও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী প্রকাশ্যে স্টারমারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলিসহ মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্য সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পাশে থাকার কথা জানিয়েছেন।


আরো পড়ুন

পরাজয় মেনে নিয়েও ক্ষমতায় থাকতে অনড় স্টারমার

https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/05/12/1683907


গত সপ্তাহের স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির বড় পরাজয়ের পর থেকেই স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। ইতোমধ্যে দলটির বহু এমপি তার কাছে পদত্যাগের সময়সূচি ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন।

দলের নেতৃত্ব পরিবর্তনের চাপ দিন দিন বাড়লেও তিনি সরে দাঁড়ানোর কোনো ইঙ্গিত দেননি। বরং স্পষ্ট ভাষায় জানালেন, তিনি সরকার পরিচালনা চালিয়ে যাবেন। মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে স্টারমার বলেন, গত ৪৮ ঘণ্টার রাজনৈতিক অস্থিরতা সরকার ও দেশের অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠেছে।

মন্ত্রীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দেশের মানুষ সরকারের কাছ থেকে দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করে। তাদের এখন মূল কাজ হওয়া উচিত, সরকার পরিচালনায় মনোযোগ দেওয়া।