০৪:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

চার লেন সড়কের তিনটি হকারের দখলে

  • আপডেট সময়: ০৬:৩৯:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
  • 3

সংগৃহীত ছবি


দখল হয়ে যাচ্ছে রাজধানীর মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে বেড়িবাঁধ তিন রাস্তার দিকে যাওয়া প্রধান সড়কটি। ১০০ ফুট প্রশস্ত এ সড়কের চার লেনের তিনটিই হকারদের দখলে চলে গেছে।

বাকি এক লেন দিয়ে চলে বাস, রিকশা ও ব্যক্তিগত যানবাহন।

সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল ১০টার পর থেকে হকাররা সড়ক দখল শুরু করেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দখলের পরিধিও বাড়ে। দুপুরের মধ্যে দুই সারি এবং বিকেলের দিকে কোথাও কোথাও তিন সারি দোকান বসে যায়।

মাছ, সবজি, পোশাকসহ নানা পণ্যের অস্থায়ী ভ্যান ও দোকান ফুটপাত ছাড়িয়ে মূল সড়কেও ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি কেরানীগঞ্জ, নবাবগঞ্জসহ আশপাশের এলাকার মানুষের শহরে প্রবেশের অন্যতম প্রধান পথ হলেও এখন এটি কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। সিটি করপোরেশনের নিয়মিত উদ্যোগ থাকলেও কার্যকর কোনো স্থায়ী সমাধান নেই।

রাসেল নামে একমাছ বিক্রেতা জানান, ভ্যান বসিয়ে ব্যবসা করেন তারা।

দৈনিক চাঁদা দিতে হয়। অন্য বিক্রেতা জয়নাল ও কাউসারও একই ধরনের তথ্য দেন। তবে চাঁদা কারা নেয়, সে বিষয়ে তারা স্পষ্ট কিছু বলতে রাজি হননি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উচ্ছেদ অভিযান হলেও তা স্থায়ী হয় না। দিনের বেলা অভিযান চালানো হলে রাতে আবার পুরো সড়ক দখল হয়ে যায়।

এ বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন জানিয়েছে, উচ্ছেদ অভিযানের বিষয়ে শিগগির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে স্থানীয় পুলিশ ও ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, অভিযান চললেও পুনরায় হকার বসে যাওয়ায় সমস্যা স্থায়ী হচ্ছে। কিছু চাঁদাবাজ চক্রও এর সঙ্গে জড়িত বলে তারা জানিয়েছেন।

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist
জনপ্রিয়

চার লেন সড়কের তিনটি হকারের দখলে

আপডেট সময়: ০৬:৩৯:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

সংগৃহীত ছবি


দখল হয়ে যাচ্ছে রাজধানীর মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে বেড়িবাঁধ তিন রাস্তার দিকে যাওয়া প্রধান সড়কটি। ১০০ ফুট প্রশস্ত এ সড়কের চার লেনের তিনটিই হকারদের দখলে চলে গেছে।

বাকি এক লেন দিয়ে চলে বাস, রিকশা ও ব্যক্তিগত যানবাহন।

সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল ১০টার পর থেকে হকাররা সড়ক দখল শুরু করেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দখলের পরিধিও বাড়ে। দুপুরের মধ্যে দুই সারি এবং বিকেলের দিকে কোথাও কোথাও তিন সারি দোকান বসে যায়।

মাছ, সবজি, পোশাকসহ নানা পণ্যের অস্থায়ী ভ্যান ও দোকান ফুটপাত ছাড়িয়ে মূল সড়কেও ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি কেরানীগঞ্জ, নবাবগঞ্জসহ আশপাশের এলাকার মানুষের শহরে প্রবেশের অন্যতম প্রধান পথ হলেও এখন এটি কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। সিটি করপোরেশনের নিয়মিত উদ্যোগ থাকলেও কার্যকর কোনো স্থায়ী সমাধান নেই।

রাসেল নামে একমাছ বিক্রেতা জানান, ভ্যান বসিয়ে ব্যবসা করেন তারা।

দৈনিক চাঁদা দিতে হয়। অন্য বিক্রেতা জয়নাল ও কাউসারও একই ধরনের তথ্য দেন। তবে চাঁদা কারা নেয়, সে বিষয়ে তারা স্পষ্ট কিছু বলতে রাজি হননি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উচ্ছেদ অভিযান হলেও তা স্থায়ী হয় না। দিনের বেলা অভিযান চালানো হলে রাতে আবার পুরো সড়ক দখল হয়ে যায়।

এ বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন জানিয়েছে, উচ্ছেদ অভিযানের বিষয়ে শিগগির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে স্থানীয় পুলিশ ও ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, অভিযান চললেও পুনরায় হকার বসে যাওয়ায় সমস্যা স্থায়ী হচ্ছে। কিছু চাঁদাবাজ চক্রও এর সঙ্গে জড়িত বলে তারা জানিয়েছেন।