০২:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬

জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত মোনাজাতে মজলুমদের জন্য অশ্রুসিক্ত দোয়া

  • আপডেট সময়: ০৫:৩৯:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬
  • 4

সংগৃহীত ছবি


জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। নামাজ শেষে মোনাজাতে ‘জালিমদের বিচার’, ‘মজলুম ভাইদের জুলুম থেকে হেফাজত করুন’ ও ‘জালিমদের হাত মুসলমানদের রক্ষা করো’ আকুতি আর অশ্রুসিক্ত ফরিয়াদে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয় ঈদগাহ ময়দানে।

এ ছাড়া দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, নিরাপত্তা এবং কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত শেষে এমন আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

এ ছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, রাজনৈতিক নেতা, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন মুসলিম দেশের কূটনীতিকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ জামাতে অংশ নেন।

ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক। দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে খুতবা ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

মোনাজাতে দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহর জন্য রহমত, বরকত ও কবুলিয়ত কামনা করে বলা হয়, ‘ইয়া আল্লাহ, সব মজলুম ভাইদের জুলুম থেকে হেফাজত করুন। জালিমরা যেন কারো ওপর জুলুম করতে না পারে, সেই ব্যবস্থা করে দিন।

’ একই সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নির্যাতিত মুসলমানদের নিরাপত্তা, স্বাধীনভাবে ইবাদত পালনের সুযোগ এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের জন্য দোয়া করা হয়।

মোনাজাতে আরো বলা হয়, ‘পবিত্র কোরবানির শিক্ষা যেন আমরা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ধারণ করতে পারি।’ অসহায় ও কোরবানি দিতে না পারা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর তৌফিক কামনাও করা হয়। পাশাপাশি দেশের সরকারকে ‘হিম্মত, নেক নিয়ত ও সৎসাহস’ দেওয়ার জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করা হয়।

উত্তরাধুনিক

Writer, Singer & Environmentalist
জনপ্রিয়

জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত মোনাজাতে মজলুমদের জন্য অশ্রুসিক্ত দোয়া

আপডেট সময়: ০৫:৩৯:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬

সংগৃহীত ছবি


জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। নামাজ শেষে মোনাজাতে ‘জালিমদের বিচার’, ‘মজলুম ভাইদের জুলুম থেকে হেফাজত করুন’ ও ‘জালিমদের হাত মুসলমানদের রক্ষা করো’ আকুতি আর অশ্রুসিক্ত ফরিয়াদে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয় ঈদগাহ ময়দানে।

এ ছাড়া দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, নিরাপত্তা এবং কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত শেষে এমন আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

এ ছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, রাজনৈতিক নেতা, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন মুসলিম দেশের কূটনীতিকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ জামাতে অংশ নেন।

ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক। দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে খুতবা ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

মোনাজাতে দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহর জন্য রহমত, বরকত ও কবুলিয়ত কামনা করে বলা হয়, ‘ইয়া আল্লাহ, সব মজলুম ভাইদের জুলুম থেকে হেফাজত করুন। জালিমরা যেন কারো ওপর জুলুম করতে না পারে, সেই ব্যবস্থা করে দিন।

’ একই সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নির্যাতিত মুসলমানদের নিরাপত্তা, স্বাধীনভাবে ইবাদত পালনের সুযোগ এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের জন্য দোয়া করা হয়।

মোনাজাতে আরো বলা হয়, ‘পবিত্র কোরবানির শিক্ষা যেন আমরা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ধারণ করতে পারি।’ অসহায় ও কোরবানি দিতে না পারা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর তৌফিক কামনাও করা হয়। পাশাপাশি দেশের সরকারকে ‘হিম্মত, নেক নিয়ত ও সৎসাহস’ দেওয়ার জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করা হয়।